সামিদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, ধর্ষণের মামলা - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 10 March 2018

সামিদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, ধর্ষণের মামলা

মহম্মদ সামি আরও বিপাকে। তাঁর স্ত্রী হাসিন জাহানের বিস্ফোরক অভিযোগ পেয়ে লালবাজারের উইমেনস গ্রিভান্স সেল তদন্ত শুরু করল। নগরপাল রাজীব কুমারের নির্দেশে প্রথমে যাদবপুর থানা ভারতীয় দণ্ডবিধির ৭টি ধারায় মামলা শুরু করেছিল। পরে লালবাজার তা হাতে নেয়। বধূ–‌নির্যাতন, ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত, হত্যার চেষ্টা, ধর্ষণ, ভয় দেখানো, বিষক্রিয়ার মাধ্যমে খুনের চেষ্টা–‌সহ বিভিন্ন ধারায় মামলা শুরু হয়েছে মহম্মদ সামি–‌সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে। তবে পুলিসের তরফে জানানো হয়নি, কার বিরুদ্ধে অভিযোগকারিণী ধর্ষণের অভিযোগ এনেছে। সামি ছাড়াও এই মামলায় জড়িত বাকিরা হলেন ভাশুর, ননদ ও শাশুড়ি। এঁদের বিরুদ্ধেও একই ধারায় মামলা শুরু হয়েছে। পুলিস সূত্রে খবর, সামির স্ত্রীর গোপন জবানবন্দি নেওয়া হবে। তাঁর বয়ানের প্রেক্ষিতেই মামলার গতিপথ নির্ভর করবে। নগরপালকে লেখা চিঠিতে অভিযোগ জানানো হয়েছে মহম্মদ হাসিব আহমেদ, শামা পারভিন এবং অঞ্জুমান আরা বেগম, সাবিনা আহজুমের বিরুদ্ধে। ২০১৪ সালে সামি ও হাসিনের বিয়ে হয়। ২০১২–‌য় আইপিএল চলাকালীন সামির সঙ্গে আলাপ। তার পর প্রেম ও বিয়ে। উত্তরপ্রদেশের আমরুহায় হাসিনের শ্বশুরবাড়ি। অভিযোগ তুলেছেন ধর্ষণের। এবং ধর্ষক হিসেবে সামির দাদার দিকেই আঙুল! নগরপালের কাছে ৮ মার্চ চিঠি পাঠানোর পরই সেটি যাদবপুর থানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। যাদবপুর থানা তদন্ত শুরু করেছে।
পাশাপাশি যাদবপুরের সেনকুঠি নামে যে–‌ফ্ল্যাটে সামি থাকেন, সেখানে পুলিস–‌প্রহরা বসেছে, যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। হাসিন জাহান আগেই শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছিলেন। মাদক খাইয়ে আচ্ছন্ন করার চেষ্টা কেন?‌ ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগও মারাত্মক। হাই–‌প্রোফাইল কেস, তাই প্রতিটি অভিযোগই গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। আদালতে গোপন জবানবন্দি দিতে পারেন হাসিন। হাসিন তার ফেসবুক প্রোফাইলে সামির বান্ধবী ও বন্ধুদের সঙ্গে যে–‌সমস্ত চ্যাট করেছিলেন, সেগুলি পুলিসকে দেওয়া হয়েছে। নানা সময়ে সামির মোবাইল থেকে আন্তঃরাজ্য ও আন্তর্জাতিক যে–‌সমস্ত ফোন করা হয়েছিল, সেই নম্বরগুলিও পুলিসকে জানানো হয়েছে। ‌হাসিনের অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশে শ্বশুরবাড়িতে তঁার ঘরে ঢুকে পড়েছিলেন সামির দাদা। সামি নাকি সেই সময় আলো নিভিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। বিভিন্ন বয়সি অজস্র মহিলার সঙ্গে সামির যোগাযোগ ছিল। হোয়াট্‌সঅ্যাপে নানা আলোচনাও হত। শুধু তা–‌ই নয়, হাসিনের প্রশ্ন, কীভাবে একজন ক্রিকেটারের ঘরে বহিরাগতরা ঢুকে পড়ে?‌ তার ইঙ্গিত, সামি সম্ভবত কোনও চক্রে জড়িয়ে রয়েছেন।‌‌‌‌‌

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad