হাত ধরে ভাঙল বাম তৃণমূল, লাল নীল এখন গেরুয়া !
তৃণমূল এবং ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে প্রায় ৫০০ জন বিজেপি-তে যোগ দেন। পানিজা সংসদের তৃণমূল নেতা বিমল নায়েক এবং ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা রাধাকান্ত কপাটের হাত ধরে এই যোগদান পর্ব চলে। জয় ব্যানার্জিই দলের নতুন কর্মীদের হাতে বিজেপি-র পতাকা তুলে দেন।
ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে বিজেপির একটি দলীয় অফিস উদ্বোধন করে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় সোজা চলে যান জগন্নাথপুরে বিজেপির জনসভায়।
ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে একটি জনসভার আয়োজন করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। জগন্নাথপুরে ঢোকার কয়েক কিলোমিটার আগেই ওই এলাকার মানুষজন শাঁখ বাজিয়ে উলুধ্বনী দিয়ে তাঁকে বরন করে নেন। এদিনের ওই অনুষ্ঠানে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও হাজির ছিলেন, বিজেপির রাজ্যনেতা বিশ্বপ্রীয় রায়চৌধুরী সহ একাধিক বিজেপির নেতা নেত্রীরা।
জয় ব্যানার্জি খানিক কটাক্ষের সুরেই তিনি বলেন, “এখানে আসার পথে রাস্তার মোড়ে দেখলাম, দুই ব্যানার্জির ছবি টাঙানো রয়েছে। একটা আমার ছবি, অন্যটা অভিষেক ব্যানার্জির। আমি বলি, যদি সভ্যতা এবং অসভ্যতার একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, তাহলে অসভ্যতার কম্পিটিশনে নিশ্চিতভাবে ফার্স্ট প্রাইজ় পাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সততার কোনও পরীক্ষা হলে প্রথম পুরস্কারটা আমিই পাব।”
তিনি আরও বলেন, “আমিই আসল ব্যানার্জি, আর মমতা হচ্ছে জগাখিচুড়ি ব্যানার্জি।” এই প্রসঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর জগন্নাথ মন্দিরে বিক্ষোভের মুখে পড়ার প্রসঙ্গ টেনে আনেন। ঘটনাটি ১৯ এপ্রিলের। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন মমতা। মন্দিরের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে হিন্দু যুব বাহিনী। তারা স্লোগান দেয়, “গো হত্যা বন্ধ করো, মমতা গো ব্যাক।” বিক্ষোভ দেখানোর সময় দুই বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ।
জয় ব্যানার্জি বলেন, “কারণ কখনও উনি মসজিদে গিয়ে হাত তুলে নমাজ পড়ছেন, কখনও রোজা রাখছেন, কখনও চার্চে যাচ্ছেন, কখনও গুরুদ্বারে যাচ্ছেন, আবার বিজেপি-র তাড়া খেয়ে এখন মন্দিরেও দৌড়চ্ছেন। ছোটোবেলা থেকেই একটা কথা শুনতাম, দু’নৌকায় পা দিয়ে চলা যায় না। তাই আমি ওনাকে জগাখিচুড়ি ব্যানার্জি বলি।”


No comments:
Post a Comment