মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: ভাঙড়ে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে আহত ১, রেজ্জাক অনুগামীকে মারধরের অভিযোগ কাইজার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। পঞ্চায়েত নির্বাচন এগিয়ে আসতেই আবারও গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হল ভাঙড় ।রাতের অন্ধকারে এক তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের অপর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার দাবিতে ভাঙড় থানায় বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূলের একাংশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, ভাঙড়ে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ চলছে কয়েক বছর ধরে। তৃণমূলের ভাঙড় ১ নং ব্লক সভাপতি তথা জেলা পরিষদ সদস্য কাইজার আহমেদ এবং ভাঙড়ের বিধায়ক তথা মন্ত্রী আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা গোষ্ঠীর মধ্যে ওই লড়াই বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার রাতে রেজ্জাক অনুগামী তৃণমূল কর্মী সনত হালদার ঘটকপুকুর থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণগঞ্জ অঞ্চলের দক্ষিণ কালীকাপুরে তার পথ আটকায় কয়েক জন দুষ্কৃতী। তাঁকে বাঁশ রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এই ঘটনায় সনত হালদার এর স্ত্রী স্বপনা হালদার তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদ, প্রধান শ্যামসুন্দর মল্লিক সহ ১১ জনের নামে ভাঙড় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি বলেন, "আমার স্বামী ঘটকপুকুর থেকে বাড়ি ফিরছিল, এমন সময় কাইজার আহমেদ এবং প্রাণগঞ্জ অঞ্চলের প্রধান শ্যামসুন্দর মল্লিক এর লোকজন বাঁশ রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। তার বাঁ হাত ভেঙে গিয়েছে, বুকের হাড় ভেঙে গিয়েছে।" তিনি আরো বলেন, "বন্ধুকের বাঁট দিয়ে মারধর করা হয়।" এই অভিযোগ অস্বীকার করে পঞ্চায়েত প্রধান শ্যামসুন্দর মল্লিক বলেন," এরকম কিছু জানি না, একটা পারিবারিক গন্ডগোল হয়েছে বলে শুনেছি ।"
এই ঘটনার প্রতিবাদে কাইজার বিরোধী তৃণমূল নেতা বিনয় ঘোষ, হাকিম মোল্লা, নিখিল সর্দার, মির তাহের, নাসিরউদ্দিন সহ জেলা পরিষদ সদস্যা খাদিজা বিবি এর নেতৃত্বে দলীয় পতাকা হাতে ভাঙড় থানার বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূলের একাংশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, ভাঙড়ে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ চলছে কয়েক বছর ধরে। তৃণমূলের ভাঙড় ১ নং ব্লক সভাপতি তথা জেলা পরিষদ সদস্য কাইজার আহমেদ এবং ভাঙড়ের বিধায়ক তথা মন্ত্রী আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা গোষ্ঠীর মধ্যে ওই লড়াই বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার রাতে রেজ্জাক অনুগামী তৃণমূল কর্মী সনত হালদার ঘটকপুকুর থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্রাণগঞ্জ অঞ্চলের দক্ষিণ কালীকাপুরে তার পথ আটকায় কয়েক জন দুষ্কৃতী। তাঁকে বাঁশ রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এই ঘটনায় সনত হালদার এর স্ত্রী স্বপনা হালদার তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদ, প্রধান শ্যামসুন্দর মল্লিক সহ ১১ জনের নামে ভাঙড় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি বলেন, "আমার স্বামী ঘটকপুকুর থেকে বাড়ি ফিরছিল, এমন সময় কাইজার আহমেদ এবং প্রাণগঞ্জ অঞ্চলের প্রধান শ্যামসুন্দর মল্লিক এর লোকজন বাঁশ রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। তার বাঁ হাত ভেঙে গিয়েছে, বুকের হাড় ভেঙে গিয়েছে।" তিনি আরো বলেন, "বন্ধুকের বাঁট দিয়ে মারধর করা হয়।" এই অভিযোগ অস্বীকার করে পঞ্চায়েত প্রধান শ্যামসুন্দর মল্লিক বলেন," এরকম কিছু জানি না, একটা পারিবারিক গন্ডগোল হয়েছে বলে শুনেছি ।"
এই ঘটনার প্রতিবাদে কাইজার বিরোধী তৃণমূল নেতা বিনয় ঘোষ, হাকিম মোল্লা, নিখিল সর্দার, মির তাহের, নাসিরউদ্দিন সহ জেলা পরিষদ সদস্যা খাদিজা বিবি এর নেতৃত্বে দলীয় পতাকা হাতে ভাঙড় থানার বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূলের একাংশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


No comments:
Post a Comment