দক্ষিন ২৪ পরগনা: দেশের প্রথম জেলা সুন্দরবন এলাকার দিগম্বর পুর পঞ্চায়েত। আজ এই পঞ্চায়েতের জন্য গর্বিত সুন্দরবনবাসি। যে গ্রাম পঞ্চায়েত সব থেকে বেশি ভালো কাজ করবে তাকে পুরষ্কার দেওয়া হবে। এমনই ঘোষণা করেছিল দেশের প্রধানমন্ত্রী। দেশের সমস্ত পঞ্চায়েতরে সঙ্গে পাল্লাদিয়ে চলছিল এরাজ্যের গ্রাম পঞ্চায়েত গুলি। কাজের নিরিখে প্রথম হয়ে দেশবাসীকে এক স্বচ্ছ গ্রাম পঞ্চায়েত উপহার হিসাবে শিরপায় রাখলেন দিগম্বপুর। দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার পাথর প্রতিমা ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েত গুলি ও জোর কদমে কাজ শুরু করে। ২০০৯ সালে আয়লা বিধ্বস্ত পাথরপ্রতিমা ব্লকের ১৪ টি গ্রাম পঞ্চায়েত। তাদের ও লক্ষ ছিল তারা দেশের প্রথম হবে কাজের নিরিখে। যে কাজ গুলি করলে দেশের প্রথম হবে। সেইমতো শুরু করলো জেলার দ্বীপ পঞ্চায়েত গুলি। যখন দেশের মন্ত্রী ঘোষণ করেন পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন এলাকার দিগম্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রথম স্থান অধিকারেরর শিরপা ছিনিয়ে নিয়েছেন। কাজের নিরিখে। খবরটি দ্বীপ এলাকায় পৌঁছাতেই সুন্দরবন আকাশে বাতাসে খুশির হাওয়া বইতে লাগলো। মনে হয় এ হাওয়া ২০০৯ সালের আয়লার থেকে ও বেশি গতিতে। কিন্তু সেদিনের যে আয়লা মানুষের মনে বিষাদের সুর তুলেছিলো। আজ যেন তা মানুষকে ভুলিয়ে দিলো। দিগম্বর পুর গ্রাম পঞ্চায়তে এলাকার ১৯ টি সদস্যে নিয়ে গঠিত। এই গ্রাম পঞ্চায়েত রাস্তা ঘাট পানিয় জল স্বচ্ছ মিশন একাধিক প্রকল্পে নজির কেড়েছে। প্রায় কুড়ি হাজার বাসিন্দাদের মিন শিকারের পাশাপাশি চাষআবাদ মুল জীবিকা হলে আজ স্বর্নিভরে আয়ের দিকে বেড়েছে স্বচ্ছতা। ফলে গ্রাম পঞ্চায়েত আজ মেডেলের রুপ নিয়েছে। যার যেরে প্রধান রবীন্দ্রনাথ বেরার হাত ধরে ওঠে পঞ্চায়েতের এক নম্বরের শিরপা। দিগম্বপুর গ্রাম পঞ্চায়েত দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করায়। ২০ লক্ষ টাকা সহ মানপত্র দেওয়া হবে। আজই ২৪ শে এপ্রিল হায়দারাবাদ থেকে এই পুরষ্কার দেওয়া হবে। যেপুরস্কারের ছায়া পরবে দক্ষিন সুন্দরবনের দিগম্বপুর গ্রামপঞ্চায়েত বাসিদের মধ্যে।
দক্ষিন ২৪ পরগনা: দেশের প্রথম জেলা সুন্দরবন এলাকার দিগম্বর পুর পঞ্চায়েত। আজ এই পঞ্চায়েতের জন্য গর্বিত সুন্দরবনবাসি। যে গ্রাম পঞ্চায়েত সব থেকে বেশি ভালো কাজ করবে তাকে পুরষ্কার দেওয়া হবে। এমনই ঘোষণা করেছিল দেশের প্রধানমন্ত্রী। দেশের সমস্ত পঞ্চায়েতরে সঙ্গে পাল্লাদিয়ে চলছিল এরাজ্যের গ্রাম পঞ্চায়েত গুলি। কাজের নিরিখে প্রথম হয়ে দেশবাসীকে এক স্বচ্ছ গ্রাম পঞ্চায়েত উপহার হিসাবে শিরপায় রাখলেন দিগম্বপুর। দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার পাথর প্রতিমা ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েত গুলি ও জোর কদমে কাজ শুরু করে। ২০০৯ সালে আয়লা বিধ্বস্ত পাথরপ্রতিমা ব্লকের ১৪ টি গ্রাম পঞ্চায়েত। তাদের ও লক্ষ ছিল তারা দেশের প্রথম হবে কাজের নিরিখে। যে কাজ গুলি করলে দেশের প্রথম হবে। সেইমতো শুরু করলো জেলার দ্বীপ পঞ্চায়েত গুলি। যখন দেশের মন্ত্রী ঘোষণ করেন পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন এলাকার দিগম্বরপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রথম স্থান অধিকারেরর শিরপা ছিনিয়ে নিয়েছেন। কাজের নিরিখে। খবরটি দ্বীপ এলাকায় পৌঁছাতেই সুন্দরবন আকাশে বাতাসে খুশির হাওয়া বইতে লাগলো। মনে হয় এ হাওয়া ২০০৯ সালের আয়লার থেকে ও বেশি গতিতে। কিন্তু সেদিনের যে আয়লা মানুষের মনে বিষাদের সুর তুলেছিলো। আজ যেন তা মানুষকে ভুলিয়ে দিলো। দিগম্বর পুর গ্রাম পঞ্চায়তে এলাকার ১৯ টি সদস্যে নিয়ে গঠিত। এই গ্রাম পঞ্চায়েত রাস্তা ঘাট পানিয় জল স্বচ্ছ মিশন একাধিক প্রকল্পে নজির কেড়েছে। প্রায় কুড়ি হাজার বাসিন্দাদের মিন শিকারের পাশাপাশি চাষআবাদ মুল জীবিকা হলে আজ স্বর্নিভরে আয়ের দিকে বেড়েছে স্বচ্ছতা। ফলে গ্রাম পঞ্চায়েত আজ মেডেলের রুপ নিয়েছে। যার যেরে প্রধান রবীন্দ্রনাথ বেরার হাত ধরে ওঠে পঞ্চায়েতের এক নম্বরের শিরপা। দিগম্বপুর গ্রাম পঞ্চায়েত দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করায়। ২০ লক্ষ টাকা সহ মানপত্র দেওয়া হবে। আজই ২৪ শে এপ্রিল হায়দারাবাদ থেকে এই পুরষ্কার দেওয়া হবে। যেপুরস্কারের ছায়া পরবে দক্ষিন সুন্দরবনের দিগম্বপুর গ্রামপঞ্চায়েত বাসিদের মধ্যে।

No comments:
Post a Comment