হাইকোর্টের নির্দেশে পঞ্চায়েতে নমিনেশন জমা দেওয়ার শেষ দিনে শাষক দলের নেতা কর্মীদের দাপাদাপি ও মারমুখী আক্রমনে পিছু হটল বিরোধীরা। সোমবার হুগলির বলাগড় থেকে শুরু করে পোলবা, হরিপাল, মগরা, চন্ডীতলা, আরামবাগ সহ একাধিক জায়গায় বিজেপি সহ বিরোধীদের বেধরক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে।
এই ঘটনার ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকদেরও থার্ডডিগ্রি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এদিন সকালে হরিপালের বিডিও অফিসে বিরোধীরা নমিনেশন জমা দিতে এলে তৃণমূলের নেতা কর্মীরা তাদের আটকে ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। একটি বৈদুতিন মাধ্যমের সাংবাদিক নির্মল পাত্র মোবাইলে সেই ছবি তুলতে গেলে তৃণমূলের ১৫জনের একটি দুষ্কৃতী দল তাকে থার্ডডিগ্রি তথা বেধরক মারধর করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় আক্রান্ত ওই সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি এদিন সকালে বলাগড় বিডিও অফিসে বিরোধীরা নমিনেশন জমা দিতে গেলে তৃণমূলের লোকজন তাদের বিডিও অফিসে ধুকতে বাধা দেয়। বাধা টিপকে বিডিও অফিসে ঢুকতে গেলে তাদের বেধরক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার ছবি তুলতে গেলে অপর এক বৈদুতিন মাধ্যমের সাংবাদিক পার্থ বসুর মোবাইল কেড়ে নিয়ে তাকে হুমকী দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে এদিন দুপুরে চন্ডীতলা ২নম্বর বিডিও অফিসে বিরোধী নমিনেশন জমা দিতে গেলে শাষক দলের নেতা কর্মীরা গোটা বিডিও অফিস অবরোধ করে রাখেন। পাশাপাশি জাঙ্গিপাড়ায় সিপিএমের পার্টী অফিসে ঢুকে সিপিএমের দুই কর্মীকে বেধরক মারধোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দূষ্কর্তীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ২জন সিপিএম কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন।
হাইকোর্টের নির্দেশে নমিনেশন জমা দেওয়ার শেষ দিনেও কার্যত শাষক দলের প্রতিরোধের সামনে বিরোধীরা ঘেষতেই পাড়ল। অন্তত এমনটাই অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলের একাধিক প্রার্থীরা। এই প্রসঙ্গে বিজেপির শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ভাষ্কর ভট্টাচার্য বলেন, পুলিশের সামনে তৃণমূলের নেতা কর্মীরা আমাদের প্রার্থীদের মারধর করেছে। ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে। গোটা ঘটনাটি জানিয়ে পুলিশের পদস্থ কর্তাদের একটি অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। যদিও গোটা ঘটনার কথা অস্বীকার করে তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা সাংবাদিকের জানিয়েছেন, বিরোধীরা কোনও প্রার্থীই জমা দিতে পাড়েন নি। তাই প্রচারের আলোয় আসতে মারধরের নাটক করছে।
এই ঘটনার ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকদেরও থার্ডডিগ্রি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এদিন সকালে হরিপালের বিডিও অফিসে বিরোধীরা নমিনেশন জমা দিতে এলে তৃণমূলের নেতা কর্মীরা তাদের আটকে ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। একটি বৈদুতিন মাধ্যমের সাংবাদিক নির্মল পাত্র মোবাইলে সেই ছবি তুলতে গেলে তৃণমূলের ১৫জনের একটি দুষ্কৃতী দল তাকে থার্ডডিগ্রি তথা বেধরক মারধর করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় আক্রান্ত ওই সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি এদিন সকালে বলাগড় বিডিও অফিসে বিরোধীরা নমিনেশন জমা দিতে গেলে তৃণমূলের লোকজন তাদের বিডিও অফিসে ধুকতে বাধা দেয়। বাধা টিপকে বিডিও অফিসে ঢুকতে গেলে তাদের বেধরক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার ছবি তুলতে গেলে অপর এক বৈদুতিন মাধ্যমের সাংবাদিক পার্থ বসুর মোবাইল কেড়ে নিয়ে তাকে হুমকী দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে এদিন দুপুরে চন্ডীতলা ২নম্বর বিডিও অফিসে বিরোধী নমিনেশন জমা দিতে গেলে শাষক দলের নেতা কর্মীরা গোটা বিডিও অফিস অবরোধ করে রাখেন। পাশাপাশি জাঙ্গিপাড়ায় সিপিএমের পার্টী অফিসে ঢুকে সিপিএমের দুই কর্মীকে বেধরক মারধোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দূষ্কর্তীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ২জন সিপিএম কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন।
হাইকোর্টের নির্দেশে নমিনেশন জমা দেওয়ার শেষ দিনেও কার্যত শাষক দলের প্রতিরোধের সামনে বিরোধীরা ঘেষতেই পাড়ল। অন্তত এমনটাই অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলের একাধিক প্রার্থীরা। এই প্রসঙ্গে বিজেপির শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ভাষ্কর ভট্টাচার্য বলেন, পুলিশের সামনে তৃণমূলের নেতা কর্মীরা আমাদের প্রার্থীদের মারধর করেছে। ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে। গোটা ঘটনাটি জানিয়ে পুলিশের পদস্থ কর্তাদের একটি অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। যদিও গোটা ঘটনার কথা অস্বীকার করে তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা সাংবাদিকের জানিয়েছেন, বিরোধীরা কোনও প্রার্থীই জমা দিতে পাড়েন নি। তাই প্রচারের আলোয় আসতে মারধরের নাটক করছে।

No comments:
Post a Comment