ভোটে জল ঢালল হাইকোর্ট , নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 20 April 2018

ভোটে জল ঢালল হাইকোর্ট , নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে


পঞ্চায়েত নির্বাচনের জট খুলল। নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে করতে হবে পঞ্চায়েত নির্বাচন। কলকাতা হাইকোর্টে পঞ্চায়েত মামলায় ভরাডুবি হল রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন। এই রায়কে ঐতিহাসিক আখ্যা দিলেন বিরোধীরা। হাইকোর্টের এই নির্দেশের ফলে ১ মে ভোট শুরু হচ্ছে না। নতুন করে নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তি জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিল, আরও একদিন মনোনয়ন পেশ করা যাবে। নতুন করে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে হবে। সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায়ের পর রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন এখন কী সিদ্ধান্ত নেন সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্যবাসী। আপাতত কলকাতা হাইকোর্টের রায় জল ঢেলে দিল পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্টে।

ঠিক কি বলা হয়েছে এই নির্দেশে –

1. আদালত জানিয়েছে, নতুন করে একদিনের জন্য মনোনয়ন পত্র জমা নেওয়ার দিন ঘোষণা করতে হবে।

2. ভোট গ্রহণের পুরানো যে নির্ঘণ্ট ছিল তা বাতিল করে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনার সাপেক্ষে নতুন করে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে হবে।

3. তবে এই নিয়ে রাজ্য সরকার বা নির্বাচন কমিশন নতুন করে কোথাও আপিল করতে পারবে কি পারবে না তা নিয়ে কোনও স্পষ্ট নির্দেশ জানানো হয়নি বলেই সূত্রের খবর। অর্থাৎ রাজ্য সরকার  বা নির্বাচন কমিশন উচ্চতর আদালতে যেতে চাইলে কোনও বাধা থাকছে না বলেই মনে করছেন আইনজ্ঞরা।
যদিও রায় আদালতের ঘোষণার পর কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া, রাজ্যের বিরোধীরা ভোট বন্ধ করার যে চেষ্টা চালিয়েছিল তার বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন বিচারক। তাঁর মতে, নতুন করে ভোট প্রক্রিয়া শুরু করার রায় দিয়ে আদতে বিরোধীদের চেষ্টায় জল ঢেলে দিয়েছেন বিচারক, এমনটাই অভিমত কল্যানবাবুর।
যদিও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর দাবী, এই রায় আসলে তৃণমূল ও নির্বাচন মিশনের বিরুদ্ধে গিয়েছে। কারণ, প্রথম থেকে নির্বাচন কমিশনের কাজে আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে না বলে যে দাবী তৃণমূল ও নির্বাচন কমিশনের তরফে দাবী জানানো হচ্ছিল তা খারিজ করেছে আদালত। এরপর ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবীতেও আদালতে লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে অধীরবাবু জানিয়েছেন।
তবে সব শেষে এটা পরিষ্কার হল, আদর্শ নির্বাচন বিধি চালু হওয়ার পরেও আদালত যে গোটা বিষয়ের ওপর হস্তক্ষেপ করতে পারে তার নজির তৈরী হল। এছাড়া ১ মে আর নির্বাচন যে হচ্ছে না সেটাও এখন পরিষ্কার। কারণ মনোনয়ন জমা নেওয়ার যে দিন ঘোষণা হবে তার থেকে সর্বনিম্ন ২১ দিন এবং সর্বোচ্চ ৩৫ দিনের মধ্যে ভোট গ্রহণ করতে হবে। এখন দেখার, নির্বাচন কমিশন নতুন করে কোন নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad