১৯ সালে কলকাতার বিজেপির বিজয় রথ দিল্লি যাবে। এবার পঞ্চায়েতে মানুষ ইঙ্গিত দিয়েছেন। পঞ্চায়েত থেকে আমরা
লড়াই শিখে গিয়েছি। পরের ভোটে দেখিয়ে দেব কিভাবে জিততে হয়।
মঙ্গলবার চুঁচুড়ায়
বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের একটি সম্ভর্দ্ধনা সভায় একথাই বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি
দিলীপ ঘোষ। এদিন ওই অনুষ্ঠানে দিলীপ ঘোষ ছাড়াও হাজির ছিলেন, বিজেপি তিন রাজ্য সহ
সভাপতি রাজকমল পাঠক ও রাজকুমারী কেশরী, বিশ্বপ্রীয় রায়চৌধুরী, ওবিসি মোর্চার রাজ্য
সভাপতি স্বপন পাল ও হুগলি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুবীর নাগ সহ একাধিক নেতা
নেত্রীরা।
এদিন ওই সভায় দিলীপ ঘোষ
বলেন, ১৯সালের লোকসভা ভোটের নমুনা হল মহেশতালার নির্বাচন। বাকিটা
লোকসভায় দেখাব। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন মনে করলে বাংলায় শান্তিপূর্ন ভোট করাতে
পারে। সেটা তারা দেখিয়ে দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর দিয়ে নির্বাচন করে দিদিও
রাজ্যের ক্ষমতায় এসেছেন। বাংলার মানুষের কাছে বিজেপি ছাড়া কোনও বিকল্প নেই।
এদিন প্রত্যয়ী দিলীপ বাবু বলেন, বাংলায় সিপিএম
৩৪ বছর শাষন করেছেন। তাদের দৌদন্ডপ্রতাপ নেতারা ছিলেন। তারাও পঞ্চায়েত ভোটে ময়দানে
নামতে পাড়েননি। অথচ আমাদের বুথস্তরের কর্মীরা বুথ আগলে রেখেছেন। মানুষ এই গনতন্ত্র
সহ্য করবেনা। পঞ্চায়েত থেকে আমরা লড়াই শিখে গিয়েছি। পরের ভোটে দেখিয়ে দেব কিভাবে
জিততে হয়।
এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, দিদি
বলেন, জঙ্গল মহল হাঁসছে। দিদি এখন কাঁদছে। দিদি পাহাড়ে গিয়েছেন। সেখান থেকেও দিদি ঘার
ধাক্কা খাবেন। এবার পঞ্চায়েতে মানুষ ইঙ্গিত দিয়েছেন। সামনে লোকসভা ভোট। তারপর
বিধানসভা ভোট বাংলার পরিবর্তন অনিবার্য।

No comments:
Post a Comment