ফোনের থেকে মেসেজেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন অনেকে। কাজের ফাঁকে যেটুকু অবসর পান তার বেশিরভাগটাই মুঠো ফোনে কাটিয়ে দেন। বন্ধু থেকে শুরু করে পার্টনার সবাইকেই মেসেজ করেন। মেসেজ করাটা একটা অভ্যাসে দাঁড়িয়ে যায়। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে মুখের থেকে তাড়াতাড়ি চলে হাত। তবে এই অভ্যাস কিন্তু একেবারেই ভালো নয়। মেসেজ করার এই অভ্যাস আপনার সুন্দর সম্পর্ককে খারাপ করে দিতে পারে।
কীভাবে প্রভাবিত করে দেখুন...
অতিরিক্ত চিহ্ন ব্যবহার করা
মেসেজের মধ্যে অতিরিক্ত চিহ্ন ব্যবহার করা একেবারেই ভালো না। এতে মেসেজ দেখতে খুব বাজে লাগে। আর চিহ্ন ব্যবহার করে কথা বলার একটা নির্দিষ্ট বয়স রয়েছে। সেখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ কথাও যদি চিহ্নের মাধ্যমে বলেন তাহলে সম্পর্ক খারাপ তো হবেই।
মাঝে মধ্যেই মেসেজ করা
পার্টনার কোন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে তা আপনি জানেন না। আর তা জেনে বার বার তাঁকে মেসেজ করছেন। এটা একেবারেই ঠিক নয়। এমনকী তিনি রিপ্লাই না দিলে ফের মেসেজ করছেন। এতে পার্টনার যে বিরক্ত হবেন সেটা খুব স্বাভাবিক। কারণ আপনি যে মুহূর্তে তাঁকে মেসেজ করছেন সেই সময় হয়তো তিনি বসের সঙ্গে মিটিং করছিলেন। সেই সময় মেসেজ করে বার বার বিরক্ত করলে সম্পর্ক খারাপ তো হবেই।
খুব কম মেসেজ করা
খুব কম মেসেজ করাও কিন্তু খারাপ। আপনার পার্টনার হয়তো আপনাকে মেসেজ করছেন। কিন্তু আপনি তার রিপ্লাই দিতে অনেক দেরি করছেন। এতে পার্টনারের মনে হতেই পারে যে আপনি তাঁকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
মেসেজে ঝগড়া করা
আর যাই হোক না কেন মেসেজে ঝগড়াটা করা যায় না। গলা ফাটিয়ে ঝগড়া না করলে সেই মজাই পাওয়া যায় না। মেসেজে চুপি চুপি ঝগড়া করলে শুধুই মাথা গরম হয়। তাতে কোনও সুরাহা হয় না। তাই ঝগড়া করতে হলে বা আপনার যদি কোনও বিষয় খারাপ লাগে তাহলে সামনাসামনি সেটা পার্টনারকে বলুন। দেখবেন সম্পর্ক খারাপ হওয়ার পরিবর্তে সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে।
বিরক্ত করা
ধরুন পার্টনার কোনও একটা কাজ করতে ভুলে গেছেন। কিন্তু সেই কাজের কথা বার বার আপনি তাঁকে মেসেজের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিচ্ছেন। এটা একেবারেই ঠিক নয়। এইভাবে বার বার ছোটো করার ফলে সম্পর্ক আরও খারাপ হয়ে যায়।

No comments:
Post a Comment