ব্রেকিং: বাংলায় এসে বোমা ফাঁটালেন মোদী - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 25 May 2018

ব্রেকিং: বাংলায় এসে বোমা ফাঁটালেন মোদী


শুক্রবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শান্তিনিকেতনে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে গলায় উত্তরীয় পরিয়ে এবং পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিশ্বভারতীর সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি আজ বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধনের কথা রয়েছে। এদিকে ৪২ বছর পর এরাজ্যের কোনও মুখ্যমন্ত্রী বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে যোগ দিলেন। শেষবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে এসেছিলেন সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়। মাঝে জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যরা মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। তাঁদের বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে দেখা যায়নি।

বিশ্বভারতীর আচার্য হিসেবে আপনাদের সবার কাছে ক্ষমা চাইছি। কারণ, আমি যখন রাস্তা দিয়ে আসছিলাম কয়েকজন ছেলেমেয়ে আমাকে ইশারায় বোঝাচ্ছিলেন যে পান করার জলও নেই। আপনাদের যেসব অসুবিধা হয়েছে, আচার্য হিসেবে সেসবের জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

গাড়ি থেকে নেমে যখন মঞ্চের দিকে আসছিলাম তখন ভাবছিলাম কখনও এই মাটিতে গুরুদেবের পা পড়েছিল। এখানেই আশপাশে কোথাও বসে কাগজে শব্দ লিখেছিলেন। কখনও মহাত্মা গান্ধির সঙ্গে লম্বা চর্চা করেছেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের সঙ্গে উপস্থিত আছেন। ভারত এবং বাংলাদেশ দুটি পৃথক দেশ। কিন্তু, আমাদের স্বার্থ পরস্পরের সঙ্গে জড়িত। সেটা সংস্কৃতি হোক বা জননীতি। আমরা একে অপরের থেকে প্রচুর শিখি। তারই একটা উদাহরণ বাংলাদেশ ভবন।

পৃথিবীর বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে গুরুদেবকে নিয়ে চর্চা হয়।

সারা বিশ্বকে আপন করে নিয়েছিলেন গুরুদেব।

কবিগুরুর শান্তিনিকেতনে এসে আমি গর্বিত।

গুরুদেবের বিশ্বভারতী আমার কাছে মন্দিরের মতো।

এই আম্রকুঞ্জ বহু ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী।

প্রকৃতি কীভাবে আমাদের শক্তি দিতে পারে তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ শান্তিনিকেতন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করলেন। রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীও।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad