প্রত্যাশা ছিলই৷ অপেক্ষা ছিল শুধুইঘোষণার । এ দিন সকাল থেকে গণনা শুরুহতেই পাল্লা ভারী হতে থাকে দুলালবাবুরদিকে। প্রতিটি রাউন্ডের শেষেই দেখা যায়,নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর থেকে অনেকটাইএগিয়ে রয়েছেন দুলাল দাস ।বৃহস্পতিবারসবুজ আবির উড়িয়ে ফের মহেশতলায়বিধানসভা কেন্দ্রের দখল নিল তৃণমূল।৬২হাজার ৮৯৬ ভোটের ব্যবধানে বিজেপি ওবাম-কংগ্রেস জোটকে খড়কুটোর মতনউড়িয়ে দিয়ে জয়ী হয়েছেন তিনি।
তৃণমূল বিধায়ক কস্তুরী দাসের মৃত্যুতে ২৮তারিখ এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়। কেন্দ্রীয়বাহিনীর তত্ত্বাবধানে শান্তিতেই হয় ভোট।বৃহস্পতিবার গণনা শুরু কিছুপর থেকেইসবুজ ঝড়ের ইঙ্গিত মিলেছিল। প্রত্যেকরাউন্ডেই ব্যাপক ব্যবধান রাখছিল তৃণমূল।প্রথমে সিপিএম দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও,কয়েক রাউন্ড পর থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠেআসে বিজেপি। ১৪-১৫ রাউন্ড গণনার পরথেকেই কার্যত বিজয়োল্লাসে মেতেছিলেনদুলাল অনুগামীরা। ২২ তম রাউন্ডের গণনাশেষে বেজে ওঠে ঢাক, হাওয়ায় ভাসেসবুজ আবির।
জয় তো হবেই, সে ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেনমহেশতলায় তৃণমূলের পর্যবেক্ষক ফিরহাদহাকিম ও তৃণমূল প্রার্থী দুলাল দাস। কিন্তুকত ব্যবধানে জয় হবে, তা নিয়েআগেভাগে কোনও কথা বলতে চাননিতাঁরা। জয়ের পরই মুখ খোলেন ববি-দুলাল। প্রথম বার বিধায়ক হিসেবেনির্বাচিত হওয়ার পর তৃপ্ত দুলালবাবু বলেন, ‘‘উন্নয়নের জেরেই মানুষ ভোট দিয়েআশীর্বাদ করেছে’’এই জয়ে খুশি তৃণমূলযুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতিঅভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, মহেশতলার এই বিপুল জয় দিয়ে মহালয়াশুরু হল,দশমীটা আমরা দিল্লির বুকেদেখিয়ে দেব।
মহেশতলা উপনির্বাচনে ভোট গণনারফলাফল বলছে, বিরোধীদের গুঁড়িয়ে মোট৬২ হাজার ৮৯৬ ভোটের ব্যবধানে জয়ছিনিয়ে আনেন তৃণমূল প্রার্থী দুলাল দাস।তাঁর মোট প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ১ লক্ষ ৪হাজার ৮১৮টি ভোট৷বিজেপি এবারওউঠে এসেছে দ্বিতীয় স্থানে৷ গেরুয়াশিবিরে প্রাপ্ত ভোট ৪১ হাজার ৯৯৩টি।বাম-কংগ্রেস জোটের ভোট ভাগ্য এবারওপুড়েছে। জোট গড়ে লড়াই করার পরওবাম-কংগ্রেস প্রার্থীর ভোটবাক্সে পড়েছে ৩০হাজার ৩১৬টি ভোট
তৃণমূল বিধায়ক কস্তুরি দাসের মৃত্যুর পরওই কেন্দ্রে উপ-নির্বাচনের লড়াইয়ে নামেতৃণমূল, বাম-কংগ্রেস ও বিজেপি। নির্বাচনেতৃণমূল টিকিটে ভোটে লড়েন প্রয়াততৃণমূল বিধায়ক কস্তুরীর স্বামী দুলালচন্দ্রদাস। কংগ্রেস-সিপিএম জোটের হয়ে ভোটেলড়েন প্রভাত চৌধুরি ও বিজেপির টিকিটেলড়াইয়ে ময়দানে নামেন সুজিত কুমারঘোষ।


No comments:
Post a Comment