চিকিৎসাব্যবস্থা ও রোগীদের সেবায় ৯০ শতাংশই দায়িত্ব পালন করে থাকেন নার্স বা সেবক-সেবিকারা। কিন্তু এই মহান পেশাকে এখনও সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা দেয়া হয়নি রাষ্ট্রীয়ভাবে। গতকাল আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন চিকিৎসক ও নার্সরা। তারা বলেন, নার্সিং পেশাকে আরও এগিয়ে নিতে হলে এ পেশার প্রতি ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহিত করতে হবে। এজন্য নার্সিং পেশার সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি সামাজিক ও একাডেমিক মর্যাদা বাড়ানো উচিত। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘স্বল্পমূল্যে সর্বোত্তম সেবা’ (নার্সেস: এ ফোর্স ফর চেঞ্চ; কেয়ার ইফেক্টিভ, কষ্ট ইফেক্টিভ)।
দিবসটি উপলক্ষে গতকাল এক আলোচনা সভায় আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)। আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএসএমএমইউ ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, ধর্ণাঢ্য পরিবারের সন্তান হয়েও আধুনিক নার্সিংয়ের জননী ও অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল শুধু নার্সদের কাছে নয়, তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। নার্সরা নিজ পেশার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার মাধ্যমেই এ পেশার ও নিজের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করতে পারেন। তিনি নার্সিং সেবার গুণগত মানবৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ গ্রহণ, উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের ব্যবস্থাসহ যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার কথাও জানান তিনি। প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক মো. শহীদুল্লাহ সিকদার বলেন, চিকিৎসা পেশার সিংহভাগ দায়িত্বই পালন করেন সেবক-সেবিকারা। তাদের আত্মসামাজিক বিষয়টি রাষ্ট্রকে দেখতে হবে।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জুলফিকার রহমান খান বলেন, চিকিৎসাব্যবস্থায় ও রোগীদের সেবার বিষয়ে ৯০ শতাংশই দায়িত্ব পালন করে থাকেন নার্স বা সেবক-সেবিকারা। তাই নার্সিং পেশাকে আরও এগিয়ে নিতে ও এ পেশার প্রতি ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহিত করতে নার্সিং পেশার সুযোগ-সুবিধা আরও বাড়ানো উচিত। নার্সিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শাহানা আখতার রহমান বলেন, শুধু দিবস হিসেবে আর্তপীড়িতের সেবায় উৎসর্গকৃত মহীয়সী নারী ফ্লোরেন্স নাইটিংগেলের জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে আন্তরিকতা ও সহানুভূতির সঙ্গে সেবা দিয়ে রোগীকে আরোগ্য করে তলা হয়।



No comments:
Post a Comment