জেলায় দলের ৩ কর্মীর মৃত্যু। তার জেরে রাজ্যের শাসকদলের সঙ্গে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। এই আবহে আজ পুরুলিয়া পৌঁছেছেন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। পুরুলিয়া শহরে দলের সভা থেকে স্বাভাবিকভাবে শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি।অমিত শাহ যা যা বললেন একনজরে
- টাকা তৃণমূলের সিন্ডিকেট খেয়ে গেছে বলে অভিযোগ।
- মোদি সরকার ৩লাখ ৬০ হাজার কোটি ফিনান্স কমিশন পাঠিয়েছে বাংলায়। সেই টাকা জনগনের কাছে পৌঁছায়নি বলে অমিত শাহের অভিযোগ।
- ত্রিপুরায় চলো পালটাই স্লোগান দিয়ে আমরা বাম সরকারকে অপসারিত করেছি। আজ সেখানে চোরাচালান অনুপ্রবেশ বন্ধ।
- চিটফান্ড ও সিন্ডিকেটের সরকারকে পরিবর্তন করুন
- মমতা মহাজোট করতে গেছেন কিন্তু জমি হারাচ্ছেন নিজের পায়ের তলায়।
- বাংলায় মাফিয়া রাজ চলছে।
- ২০১৯-এ ২২টির বেশি লোকসভা আসন জিতবে BJP এবং বাংলার ১ নম্বর দল হিসেবে পরিচিতি হবে।
- মোদি সরকার ক্ষমতায় এসে চার লাখ মহিলাকে রান্নার গ্যাস দিয়েছে
- বাংলার উন্নতি চাইলে বাংলার ভিতরে পরিবর্তন দরকার।
- মূল সমেত TMC-কে ফেলে দিতে হবে। BJP সরকারকে নিয়ে আসতে হবে।
- বাংলাদেশ থেকে ড্রাগ আসছে এরাজ্যে।
- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কান পর্যন্ত আওয়াজ যাওয়া দরকার।
- ত্রিলোচন ও দুলালকে সম্মান জানাতে আজ লাখ লোক এসেছেন।
- তারাপীঠে মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি এত ক্ষমতা দাও যাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে ফেলতে পারি।
- পঞ্চায়েতগুলিতে মনোনয়ন জমা করতে দেয়নি।
- ভোট দিতে দেয়নি। আজ পুরুলিয়া থেকে জানিয়ে দিচ্ছি আপনার সরকার বেশিদিন চলবে না।
- এটা রামকৃষ্ণ ও বিবেকানন্দের বাংলা। এখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন তৈরি করেছেন।
- রাজ্যের সব কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। শুধু বম বানানোর কারখানা তৈরি হয়েছে।
- BJP কর্মীদের বেছে বেছে মারা হচ্ছে ।
- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার চিটফান্ড ও সিন্ডিকেট রাজের সরকার বলে অভিযোগ করেন অমিত শাহ। একইসঙ্গে তৃণমূল সরকারকে হটানোর ডাক দেন। বাংলাদেশ থেকে এরাজ্যে ড্রাগ পাচার ও অনুপ্রবেশ হচ্ছে বলেও সভামঞ্চ থেকে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর আরও অভিযোগ, “রাজ্যে একের পর এক বোমা বানানোর কারখানা তৈরি হচ্ছে। মাফিয়া রাজ চলছে বাংলায়।”
কেন্দ্রীয় সরকারের পাঠানো অনুদান তৃণমূল নেতাদের পকেটে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অমিত শাহ। তাঁর কথায়, এরাজ্যে ৩লাখ ৬০হাজার কোটি টাকা পাঠিয়েছে কেন্দ্রের চতুর্দশ ফিনান্স কমিশন। কিন্তু সেই টাকা জনগণের কাছে পৌঁছায়নি। ওই টাকায় তৃণমূলের সিন্ডিকেট নেতাদের পকেট ভরেছে বলে দাবি তাঁর।
পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়েও সুর চড়ান অমিত শাহ। বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডারা মনোনয়ন জমা করতে দেয়নি। সন্ত্রাসের আবহে ভোট হয়েছে। গণতন্ত্রের হত্যা করা হয়েছে। অনেকেই ভোট দিতে পারেননি।”
অমিত শাহকে পালটা কটাক্ষ করেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বলেন, “অমিত আগে দিল্লি সামলাক।” ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেই সেই পরিবর্তন করতে চান তিনি। রাজ্যের মোট ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ২২টির বেশি আসনে জেতার ডাক দেন। বলেন, “ এরাজ্যে BJP দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ২০১৯ সালে বাংলায় ২২টির বেশি আসন জিতে প্রথম স্থান দখল করবে।” পাশাপাশি বিরোধীদের জোট করা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করেন অমিত শাহ। মহাজোট করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজের পায়ের তলার মাটি হারাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন। বলেন, “মমতা মহাজোট করতে গেছেন কিন্তু নিজের পায়ের তলায় জমি হারাচ্ছেন।” এপ্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, “ত্রিপুরায় চলো পালটাই স্লোগান দিয়ে আমরা বাম সরকারকে অপসারণ করেছি। আজ সেখানে চোরাচালান বন্ধ।” - সূত্রঃ ইনাডু

No comments:
Post a Comment