মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: বঙ্গোপসাগর থেকে উদ্ধার হওয়া ট্রলারের ৩ মৎস্যজীবীকেই শেষ পর্যন্ত শনাক্তকরণ করা সম্ভব হয়েছে। মৃত মৎস্যজীবীরা হলেন, প্রসেনজিৎ দাস (১৯), বাড়ি হরিপুর কোলে পাড়া, ঝন্টু বিশ্বাস (২৭), বাড়ি পশ্চিম গঙ্গাধরপুর, মদন দাস (৬৪), বাড়ি মাইতির চক। শুক্রবার কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর, প্রসেনজিতের দেহ শনাক্তকরণ করেন তার মা ও দাদা। প্রসেনজিতের দাদা খোকন দাস জানান, ডুবে যাওয়া এফ বি কন্যামাতা ট্রলারে তার দু’ভাই গিয়েছিল। প্রসেনজিৎ ছোট ভাই। ট্রলারে যাওয়ার দিন মা তাকে একটি হাতের বালা দিয়েছিলেন। হাতের সেই বালা ও লাল রংয়ের গেঞ্জি দেখে প্রসেনজিতের দেহ শনাক্তকরণ করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে ঝন্টু বিশ্বাসের গলার একটি মালা ও মদন দাসের দাঁত দেখে, তাঁদের পরিবারের লোকজনেরা দেহ শনাক্তকরণ করেন।
উল্লেখ্য, ১৩ জুন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ঝড়ো হাওয়ায় ডুবে গিয়েছিল এফ বি কন্যামাতা নামক একটি ট্রলার। ট্রলারটিতে মোট ১৬ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। ঐ সময় আশেপাশের ট্রলারগুলি ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে ৬ জন মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করলেও, ১০ জন মৎস্যজীবী নিখোঁজ ছিলেন। ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার হওয়ার পর ৩ জন মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৭ জন মৎস্যজীবী নিখোঁজ রয়েছেন।

No comments:
Post a Comment