দুহাত দিয়ে মুখ ঢাকা। শরীরের কাঁপুনি দেখে বোঝা যাচ্ছিল, কাঁদছেন। আবেগের যে রোলার কোস্টারে চড়েছেন, তাতে অমন কিছু অস্বাভাবিক নয়। পুরো ম্যাচে দৃষ্টি ছিল নেইমারের দিকে। কখনো তাকে ফাউল করা হচ্ছে, কখনো তিনি ডাইভ দিচ্ছেন। ম্যাচের একেবারে অন্তিম মুহূর্তে স্বস্তি এনে দেওয়া একটি গোলও করেছেন।নেইমার বলেই কান্নাটা স্বাভাবিক মনে হচ্ছিল। ২০১৪ সালেই দেখা গেছে, এই ব্রাজিল দল কতটা আবেগী। জার্মানির কাছে ৭-১ ব্যবধানে হারে অতি আবেগই বড় ভূমিকা রেখেছিল। আর নেইমার তো চোট কাটিয়ে ফিরে আসার পর থেকেই শিরোনামে। বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে ফাউলের শিকার হয়ে, ডাইভ দিয়ে, মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে সময় কাটানোয় শিরোনামগুলোও হচ্ছিল নেতিবাচক।
দুহাত দিয়ে মুখ ঢাকা। শরীরের কাঁপুনি দেখে বোঝা যাচ্ছিল, কাঁদছেন। আবেগের যে রোলার কোস্টারে চড়েছেন, তাতে অমন কিছু অস্বাভাবিক নয়। পুরো ম্যাচে দৃষ্টি ছিল নেইমারের দিকে। কখনো তাকে ফাউল করা হচ্ছে, কখনো তিনি ডাইভ দিচ্ছেন। ম্যাচের একেবারে অন্তিম মুহূর্তে স্বস্তি এনে দেওয়া একটি গোলও করেছেন।নেইমার বলেই কান্নাটা স্বাভাবিক মনে হচ্ছিল। ২০১৪ সালেই দেখা গেছে, এই ব্রাজিল দল কতটা আবেগী। জার্মানির কাছে ৭-১ ব্যবধানে হারে অতি আবেগই বড় ভূমিকা রেখেছিল। আর নেইমার তো চোট কাটিয়ে ফিরে আসার পর থেকেই শিরোনামে। বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে ফাউলের শিকার হয়ে, ডাইভ দিয়ে, মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে সময় কাটানোয় শিরোনামগুলোও হচ্ছিল নেতিবাচক।


No comments:
Post a Comment