দক্ষিণ ভারতের কেরালা রাজ্যের পুলিশ ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দিয়ে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা করানোর দায়ে মেয়েটির বাবা-মাকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ রয়েছে, মেয়েটির বাবা-মা তাকে দিয়ে গত দুই বছর ধরে যৌন ব্যবসা করতে বাধ্য করে আসছিল। মেয়েটিকে উদ্ধার করে রাষ্ট্র পরিচালিত একটি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।
মেয়েটি ওই আশ্রয়কেন্দ্রের মানসিক কাউন্সিলরকে জানায় যে, তার বাবা-মা খদ্দের ডেকে এনে তাকে তাদের সঙ্গে টাকার বিনিময়ে যৌনকর্মে লিপ্ত হতে বাধ্য করতো। মেয়েটির মা একটি সংবাদ চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি তার মেয়ের জন্য খদ্দেরদের কাছ থেকে মাথাপিছু ৩ হাজার রুপি করে নিতেন।
পুলিশ জানিয়েছে, টাকার বিনিময়ে মেয়েটির সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া ৪০ খদ্দেরের ২৫ জনকে সনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, টাকার বিনিময়ে মেয়েটির সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া ৪০ খদ্দেরের ২৫ জনকে সনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এছাড়া এক দালালসহ এ ঘটনায় জড়িত আরো দশজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মেয়েটির ৩৭ বছর বয়সী মা সর্বমোট ৭ সন্তানের জননী। তার সন্তানদের মধ্যে সবচেয়ে বড়টির বয়স ২৪।
মেয়েটির ৫৫ বছর বয়সী সৎ বাবা পেশায় একজন গাড়ি চালক। সে-ই মূলত খদ্দেরদেরকে তার কিশোরী মেয়ের ছবি দেখিয়ে যৌন ব্যবসার আমন্ত্রণ জানাতো।
কেরালা প্রদেশের উত্তরাঞ্চলের মালাপ্পুরাম জেলার কোত্তাকাল শহরের একটি ভাড়া করা বাড়িতে মেয়েটি তার পরিবারের সঙ্গে বসবাস করত।
কেরালা প্রদেশের উত্তরাঞ্চলের মালাপ্পুরাম জেলার কোত্তাকাল শহরের একটি ভাড়া করা বাড়িতে মেয়েটি তার পরিবারের সঙ্গে বসবাস করত।
এর আগে ২০১১ সালে কেরালা পুলিশ আরেক বাবাকে তার ১৭ বছর বয়সী মেয়েকে ২০০ পুরষের সঙ্গে টাকার বিনিময়ে যৌনকর্ম করতে বাধ্য করার দায়ে গ্রেপ্তার করেছিল। ওই ঘটনায়ও মোট ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছিল।

No comments:
Post a Comment