আপনার ডক্টর পাঠক প্রশ্নের উত্তর: কিভাবে মেয়েদের অর্গ্যাজম লাভ হবে সেটা একেকজনের ক্ষেত্রে একেকরকম হয়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ক্লিটোরিস (ভগাঙ্কুর) স্টিমুলেট করলে মেয়েদের অর্গ্যাজম লাভের সম্ভাবনা বেশি। প্রথমে ক্লিটোরিস কোথায় সেটা দেখুন। যৌনাঙ্গের উপরের দিকে যেখানে যৌনাঙ্গের ঠোটদুটো (বৃহদোষ্ঠ) পরষ্পরের সাথে মিলিত হয় সেখানে ক্লিটোরিস অবস্থিত। আঙ্গুল দিয়ে বা জিহ্বা দিয়ে হালকা করে ঘষে ক্লিটোরিস উত্তেজিত করা সম্ভব (নারীদের যোনি চোষার বিষয়ে কিছু তথ্য জেনে নিন )। যেহেতু ক্লিটোরিসে প্রচূর পরিমাণে নার্ভ থাকে তাই ওখানে উত্তেজিত করলে মহিলাদের অর্গ্যাজমের সম্ভাবনা সাধারণত সবথেকে বেশি। যোনির মধ্যে লিঙ্গ প্রবেশ করিয়ে সঙ্গম বা আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে নাড়াচাড়া করলেও মেয়েদের অর্গ্যাজম হতে পারে। যোনির মধ্যে লিঙ্গ প্রবেশ করিয়ে সঙ্গমের সময় হাত বা আঙ্গুল দিয়ে ক্লিটোরিস উত্তেজিত করলে মেয়েদের যৌন আনন্দ ও অর্গ্যাজম হবার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। G-স্পট ( জি-স্পট কি ? নারীর যৌনাঙ্গের জি-স্পট সম্পর্কে বিস্তারিত) উত্তেজিত করেও মেয়েদের অর্গ্যাজম হতে পারে। G-স্পট হল যোনির অভ্যন্তরীণ গাত্রের উপরের দেওয়ালে অবস্থিত একটি বিশেষ স্থান যেখানে স্পর্শ করলে মেয়েরা খুব উত্তেজিত হয়ে যায়। G-স্পট খুজতে হলে যোনির মধ্যে একটি আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে যোনির উপরের দেওয়ালে আঙ্গুল দিয়ে সুড়সুড়ি দেবার চেষ্টা কর। যেখানে সুড়সুড়ি দিলে আপনার সঙ্গিনীর উত্তেজনা সবথেকে বেশি হবে সেটাই তার G-স্পট। অতঃপর ওই G-স্পট আঙ্গুল দিয়ে উত্তেজিত করলে মেযয়েদের অর্গ্যাজম হতে পারে। এছাড়াও অনেক মেয়েই আছে যাদের স্তনের চুষলে (মেয়েদের দুধ মর্দন এবং চোষার সঠিক কৌশল), নিতম্ব, নাভী ইত্যাদিতে স্পর্শ করলেও অর্গ্যাজম হয়। কিছু বিরল ক্ষেত্রে এমন হওয়াও সম্ভব যে শুধু উত্তেজক গল্প শুনেই মেয়েদের অর্গ্যাজম হচ্ছে। ঠিক কি করলে মেয়েদের অর্গ্যাজম হবে সেটা আপনি ও আপনার সঙ্গিনী দুজনে মিলে পরীক্ষা করে বের ককরুন! তবে জেনে রাখুন, ছেলেদের মত যৌনসঙ্গমের সময় সর্বদা যে মেয়েদের অর্গ্যাজম হবেই তার কোন মানে নেই। সঙ্গমের সময় অনেক মেয়েদেরই অর্গ্যাজম হয় না।
Post Top Ad
Sunday, 17 June 2018
মেয়েদের অর্গ্যাজম কিভাবে হয়?
Tags
# Helth & Life Style
About Breaking Bangla Desk
Helth & Life Style
Labels:
Helth & Life Style
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment