মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: পনের টাকা আনায় ও কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ায় স্ত্রীকে গলা টিপে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে । ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মন্দিরবাজার থানার সুতাবেচা গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৪ বছর আগে ঘোড়াদলের বাসিন্দা রত্নার সঙ্গে মন্দির বাজারের বাসিন্দা দিবাকর বণিকের বিয়ে হয়। তাদের ৩ বছরের কন্যা সন্তানও রয়েছে। রত্নার বাপের বাড়ির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য রত্নাকে চাপ দেয়া হতো এবং টাকা না না ওকে মারধর করা হতো। শুক্রবার একটি অজানা নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনে জানানো হয় রত্না আত্মহত্যা করেছে। এরপরই রত্নার পরিবার মন্দিরের বাজার থানায় যায়। তাঁরা গিয়ে দেখেন পুলিশ রত্নার মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। এরপরই রত্নার বাপের বাড়ির লোকজন এই বিষয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ রত্নার শ্বশুর ও শাশুড়িকে আটক করে। তবে রত্নার স্বামী দিবাকর পলাতক। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আজ লগে ডায়মন্ডহারবার মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে ওদের বিরুদ্ধে। ৪৯৮/৩০৪/৩০২/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা: পনের টাকা আনায় ও কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ায় স্ত্রীকে গলা টিপে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে । ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মন্দিরবাজার থানার সুতাবেচা গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৪ বছর আগে ঘোড়াদলের বাসিন্দা রত্নার সঙ্গে মন্দির বাজারের বাসিন্দা দিবাকর বণিকের বিয়ে হয়। তাদের ৩ বছরের কন্যা সন্তানও রয়েছে। রত্নার বাপের বাড়ির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য রত্নাকে চাপ দেয়া হতো এবং টাকা না না ওকে মারধর করা হতো। শুক্রবার একটি অজানা নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনে জানানো হয় রত্না আত্মহত্যা করেছে। এরপরই রত্নার পরিবার মন্দিরের বাজার থানায় যায়। তাঁরা গিয়ে দেখেন পুলিশ রত্নার মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। এরপরই রত্নার বাপের বাড়ির লোকজন এই বিষয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ রত্নার শ্বশুর ও শাশুড়িকে আটক করে। তবে রত্নার স্বামী দিবাকর পলাতক। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আজ লগে ডায়মন্ডহারবার মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে ওদের বিরুদ্ধে। ৪৯৮/৩০৪/৩০২/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

No comments:
Post a Comment