জম্মু ও কাশ্মীরে রাজ্যপাল শাসন জারির অনুমতি দিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। মঙ্গলবার জম্মু-কাশ্মীরে পিডিপি ও বিজেপি-র জোট সরকার ভেঙে যাওয়ার পর বিরোধী ওমর আবদুল্লা বা কংগ্রেস সেখানে সরকার গড়ায় আগ্রহ দেখায়নি। এরপর রাতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে রিপোর্ট পাঠান জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যপাল এন এন ভোরা। রাজ্যপাল শাসন জারির সুপারিশ করেন তিনি। তাতে সম্মতি দেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।
পিডিপি-র সঙ্গে জোট ছাড়ার কারণ হিসেবে বিজেপি-র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব বলেন, "সন্ত্রাস, হিংসা এবং মৌলবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপত্যাকায় মানুষের মৌলিক অধিকার বিপদে রয়েছে। সুজাত বুখারির হত্যা একটা উদাহরণ। জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। রাজ্যের পরিস্থিতির উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, রাজ্যের ক্ষমতার লাগাম রাজ্যপালকে হস্তান্তরিত করা হবে। উপত্যকার জন্য কেন্দ্র সবকিছু করেছে। পাকিস্তানের সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন পুরোপুরি থামানোর জন্য আমরা সবরকম চেষ্টা করেছি। কিন্তু, পিডিপি তাদের কথা রাখতে পারেনি।”
গত সোমবার সংঘর্ষবিরতি প্রত্যাহার করে কেন্দ্রীয় সরকার। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চারজন জঙ্গিকে নিকেশও করে জওয়ানরা। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার পিডিপি-র সঙ্গে জোট প্রত্যাহার করে BJP। জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভায় মোট আসন ৮৭টি। PDP ও BJP যথাক্রমে ২৮ ও ২৫টি আসন পেয়ে জোট সরকার চালাচ্ছিল। মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন PDP নেত্রী মেহবুবা। সরকার ভাঙার পর তিনি ইস্তফা দেন। প্রসঙ্গত, ১৯৭৭ সালের পর থেকে এনিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে অষ্টমবারের জন্য রাজ্যপাল শাসন জারি হল। গত দশবছরে এনিয়ে চারবার।

No comments:
Post a Comment