আর্থিক সাহায্যে সেরা প্রতিম - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 8 June 2018

আর্থিক সাহায্যে সেরা প্রতিম



হারিক্যানের আলোয় অন্যের আর্থিক সাহায্য নিয়ে পড়ে মহকুমার সেরা প্রতিম। উচ্চমাধ্যমিকে ৪৬৩। বাবা সামান্য টাইপিস্টের করেন।মা পেশায় এক জন আশাকর্মী। সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর । তাতে কি দারিদ্রের সমস্ত নাগপাশ ছিন্ন করে এবার উচ্চমাধ্যমিক পরিক্ষায়  সেরা দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে প্রতিম । জীবন যুদ্ধে লড়তে লড়তেই এগিয়ে চলছে সে।আর তাতেই এসেছে সাফল্য। শুক্রবার উচ্চমাধ্যমিকের রেজাল্ট বের হওয়ার পর দেখা গিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের ডেভিড সেশুন হাইস্কুলের প্রতিম প্রমানিক ক্যানিংয়ের মধ্যে সেরা হয়েছে । তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৬৩। প্রবল দারিদ্রতা কে পেছনে ফেলে তার এই নজর কাড়া সাফল্য।


              সামান্য টাইপিস্ট হলে ও ছেলের পড়াশুনার জন্য আপ্রান চেষ্টা করেছেন বাবা প্রভাত প্রমানিক । ছেলের পড়ার খরচ চালিয়ে যেতে  প্রতিদিন রাত পর্যন্ত টাইপিংয়ের কাজ করেছেন । মাধ্যমিকের ভাল ফলাফল করায় ক্যনিং ১ নং ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পরেশ রাম দাস দুবছর যাবৎ সাহায্য করেছেন উচ্চ মাধ্যমিকের পড়াশুনার সমস্ত  খরচ চালাতে।আগামী বছর গুলোতে ও আশ্বাস দিয়েছেন পড়াশুনার খরচ চালাতে।


        অভাবের সংসার হওয়ায় টিউশন শিক্ষক রাখতে পারেনি। বাবা প্রতীম প্রামাণিকের আক্ষেপ " আর্থিক অবস্থা ভালো থাকলে ছেলে আরো ভালো ফলাফল করতো। এবারের জয়েন্টে ভালো ফল করলে ও আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় বেসরকারি জায়গায় ভর্তি হতে পারবে না।শত সমস্যার মধ্যে চেষ্টা করি ছলের পড়াশুনো চালিয়ে যেতে।

        প্রতিমের বাড়ী ক্যানিং থানার মিঠাখালি গ্রামে।টালি চালের ভাঙাচুর বাড়ি।বিদ্যুৎ এর অবস্থা ভালো না থাকায় হারিক্যান জ্বালিয়ে পড়াশুনা প্রস্তুতি নিতে হয়েছে।ভাঙাঘরে শুয়ে আর হারিক্যানের আলোতে পড়াশুনা করে স্বপ্ন দেখছেন সমাজ কে আলোকিত করার।কিন্তু অন্যের আর্থিক সাহায্য ছাড়া তা যে কোনও মতে সম্ভব নয় তা জানেন প্রতিমের পুরো প্রতিবার।



          

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad