মৃন্ময় নস্করঃ দক্ষিণ ২৪ পরগনা কুলতলীর অন্তর্গত জামতলা মুলপিঠ রাস্তার বেহালদশা। মাত্র দু'দিনের বৃষ্টিতেই রাস্তায় পুকুর সমান গাড্ডা। সাড়ে চার কিমি রাস্তা পেটকুল চাঁদ পুরানো বাস স্ট্যান্ড থেকে মুলপীঠ পাঁচ মাথা পর্যন্ত প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি কয়েকবার রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল সাধারণ মানুষ তাতে কর্ণপাত করেনি প্রশাসনের আধিকারিকরা অভিযোগ এলাকাবাসীর সুন্দরবনের আইলা বিধ্বস্ত পরিবারের পাশে রাজ্য সরকার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আবাসন কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ২০০টি আবাসন গড়ে উঠছে যার মধ্যে কুলতলি এলাকায় ছটি। এই আবাসন কেন্দ্রের মধ্যে তিনটির কাজ শেষের পথে । কয়েকদিনের মধ্যেই সেগুলি সরকারের হাতে তুলে দেবে বরাদ্দ পাওয়া ঠিকাদারী সংস্থা অন্য তিনটি “মধ্য গুরগুরিয়া, দেবীপুর করুণাময়ী স্কুল, বৈকন্ঠপুর হাইস্কুলে, আবাসন কেন্দ্র তৈরি করতে খরচ বেড়ে গেছে কয়েকগুণ পাশাপাশি নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে কোন গাড়ির মালিকরা, সেখানে যেতে চাইছে না অভিযোগ এই ঠিকাদারি সংস্থার উনিশ কিলোমিটার রাস্তার বর্ষার শুরুতেই রাস্তার মধ্যেই পুকুর সমান কত ছোট গাড়ি যাওয়ার রাস্তা নেই প্রায়শই ঘটছে দুর্ঘটনা তাই নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে কোন লরি যেতে চাইছে না সে কারণে প্রকল্পের কাজ শেষ হতে তাদের তরফ থেকে সব পরিকাঠামো থাকার সত্যেও আরও বেশ কয়েক মাস সময় বেশি লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন নির্মাণ সংস্থা কারী আধিকারিকরা।
মৃন্ময় নস্করঃ দক্ষিণ ২৪ পরগনা কুলতলীর অন্তর্গত জামতলা মুলপিঠ রাস্তার বেহালদশা। মাত্র দু'দিনের বৃষ্টিতেই রাস্তায় পুকুর সমান গাড্ডা। সাড়ে চার কিমি রাস্তা পেটকুল চাঁদ পুরানো বাস স্ট্যান্ড থেকে মুলপীঠ পাঁচ মাথা পর্যন্ত প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি কয়েকবার রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল সাধারণ মানুষ তাতে কর্ণপাত করেনি প্রশাসনের আধিকারিকরা অভিযোগ এলাকাবাসীর সুন্দরবনের আইলা বিধ্বস্ত পরিবারের পাশে রাজ্য সরকার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আবাসন কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ২০০টি আবাসন গড়ে উঠছে যার মধ্যে কুলতলি এলাকায় ছটি। এই আবাসন কেন্দ্রের মধ্যে তিনটির কাজ শেষের পথে । কয়েকদিনের মধ্যেই সেগুলি সরকারের হাতে তুলে দেবে বরাদ্দ পাওয়া ঠিকাদারী সংস্থা অন্য তিনটি “মধ্য গুরগুরিয়া, দেবীপুর করুণাময়ী স্কুল, বৈকন্ঠপুর হাইস্কুলে, আবাসন কেন্দ্র তৈরি করতে খরচ বেড়ে গেছে কয়েকগুণ পাশাপাশি নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে কোন গাড়ির মালিকরা, সেখানে যেতে চাইছে না অভিযোগ এই ঠিকাদারি সংস্থার উনিশ কিলোমিটার রাস্তার বর্ষার শুরুতেই রাস্তার মধ্যেই পুকুর সমান কত ছোট গাড়ি যাওয়ার রাস্তা নেই প্রায়শই ঘটছে দুর্ঘটনা তাই নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে কোন লরি যেতে চাইছে না সে কারণে প্রকল্পের কাজ শেষ হতে তাদের তরফ থেকে সব পরিকাঠামো থাকার সত্যেও আরও বেশ কয়েক মাস সময় বেশি লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন নির্মাণ সংস্থা কারী আধিকারিকরা।


No comments:
Post a Comment