“কুকুরদের প্রকাশ্যে যৌনসঙ্গম করার পেছনে রয়েছে একটি পৌরানিক কাহিনী” কুকুর দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে যৌনসঙ্গম করে কেন? যৌন স্বাভাবিক। রাস্তা-ঘাটে, প্রকাশ্য দিবালোকের সামনে যৌনসঙ্গম কাজের কথা নয়। কিন্তু কুকুর তো তাহাই করে। এর একটা পৌরাণিক ব্যাখ্যা আছে। তবে মূল ব্যাখ্যায় যাওয়ার আগে একটু ধান ভানতে শিবের গীত গাইতেই হবে। আর সেটা দ্রৌপদীকে নিয়ে। মহাভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র দ্রৌপদী। নিজেই নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন। গুণ এবং নীতির সমাহার ঘটেছে এই নারীর মধ্যে। দ্রৌপদীর পরিচয়ঃ- মহাকাব্য মহাভারতের বলিষ্ঠ নারী। যজ্ঞবেদী থেকে জন্ম। পূর্নাঙ্গ নারী রূপেই জন্মেছেন দ্রৌপদী। দ্রৌপদীর স্বাভাবিক শৈশব ছিল না। দক্ষিণ ভারতে দ্রৌপদীকে মা কালীর অবতার রূপে মানা হয়। কৌরবপক্ষ ধ্বংস করতে কৃষ্ণের সহায়ক ছিলেন দ্রৌপদী। দ্রৌপদীর বিয়ের পর সবচেয়ে বেশী কথা হয়েছে এটা নিয়েই। জলেতে ঘূর্ণায়মান চক্রের ভেতরে রাখা মাছের ছায়া দেখে মাছের চোখে লক্ষ্যভেদ করতে পারলে দ্রৌপদী বিয়ে করেন অর্জুনকে। এদিকে কুন্তীর ‘যা এনেছ ৫ ভাই ভাগ করে নাও’ কথায় কেলেঙ্কারী হয়ে গেল। যুধিষ্ঠিরও দেখলেন, মায়ের কথা শুনে অন্য ভাইয়েরা যেভাবে দ্রৌপদীর দিকে তাকাচ্ছে তাতে অনর্থ হতে পারে। তাই কালবিলম্ব না করে দ্রৌপদীকে ৫ ভাইয়ের বিয়ে করার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিলেন যুধিষ্ঠির। বিয়ের পর দ্রৌপদী একজনকে সামলাতেই জিভ বেরিয়ে যায় সেখানে পাঁচ জন! যাইহোক, দ্রৌপদী সবাইকে সামলে সুখে ঘর-সংসার করছেন। তবে অনেক শর্ত এবং ধারা আছে। এরমধ্যে প্রধান শর্ত, যে স্বামী দ্রৌপদীর সঙ্গে সময় কাটাবেন তাঁর পাদুকা বা জুতো ঘরের বাইরে খুলে রেখে আসতে হবে।যাতে অন্য জন বুঝতে পারে যে ঘরের মধ্যে দ্রৌপদীর সাথে আরো একজন আছে। ঠিক এই সময় যাওয়া যাবেনা। কিন্তু কোনও এক সময় পাদুকা বাইরে রেখেই দ্রৌপদীর সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন এক পান্ডব। তখনই এক কুকুর খুলে রাখা জুতো নিয়ে পালায়। ফলে ঘরের বাইরে ফাঁকা হয়ে গেল। অন্য পান্ডব ভাবলেন, দ্রৌপদী ঘরে একাই আছেন। তিনি সাদা মনে ঘরে ঢুকতেই দেখে দ্রৌপদীর সাথে এক পান্ডব আছেন। দ্রৌপদী দেখে ফেলল পান্ডবকে। সাথে সাথে দ্রৌপদীর তো মাথায় হাত! এত নিয়মে বাঁধার পরে এক স্বামী থাকা অবস্থায় অন্য স্বামী ঢোকে কী করে? অনুসন্ধান চালিয়ে জানা গেল সব দোষ বেটা কুকুরের। মহা রেগেমেগে দ্রৌপদী কুকুর প্রজাতিকে অভিশাপ দিলেন, সমগ্র পৃথিবী তোদের সঙ্গম দেখবে আর মজা করবে।
“কুকুরদের প্রকাশ্যে যৌনসঙ্গম করার পেছনে রয়েছে একটি পৌরানিক কাহিনী” কুকুর দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে যৌনসঙ্গম করে কেন? যৌন স্বাভাবিক। রাস্তা-ঘাটে, প্রকাশ্য দিবালোকের সামনে যৌনসঙ্গম কাজের কথা নয়। কিন্তু কুকুর তো তাহাই করে। এর একটা পৌরাণিক ব্যাখ্যা আছে। তবে মূল ব্যাখ্যায় যাওয়ার আগে একটু ধান ভানতে শিবের গীত গাইতেই হবে। আর সেটা দ্রৌপদীকে নিয়ে। মহাভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র দ্রৌপদী। নিজেই নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন। গুণ এবং নীতির সমাহার ঘটেছে এই নারীর মধ্যে। দ্রৌপদীর পরিচয়ঃ- মহাকাব্য মহাভারতের বলিষ্ঠ নারী। যজ্ঞবেদী থেকে জন্ম। পূর্নাঙ্গ নারী রূপেই জন্মেছেন দ্রৌপদী। দ্রৌপদীর স্বাভাবিক শৈশব ছিল না। দক্ষিণ ভারতে দ্রৌপদীকে মা কালীর অবতার রূপে মানা হয়। কৌরবপক্ষ ধ্বংস করতে কৃষ্ণের সহায়ক ছিলেন দ্রৌপদী। দ্রৌপদীর বিয়ের পর সবচেয়ে বেশী কথা হয়েছে এটা নিয়েই। জলেতে ঘূর্ণায়মান চক্রের ভেতরে রাখা মাছের ছায়া দেখে মাছের চোখে লক্ষ্যভেদ করতে পারলে দ্রৌপদী বিয়ে করেন অর্জুনকে। এদিকে কুন্তীর ‘যা এনেছ ৫ ভাই ভাগ করে নাও’ কথায় কেলেঙ্কারী হয়ে গেল। যুধিষ্ঠিরও দেখলেন, মায়ের কথা শুনে অন্য ভাইয়েরা যেভাবে দ্রৌপদীর দিকে তাকাচ্ছে তাতে অনর্থ হতে পারে। তাই কালবিলম্ব না করে দ্রৌপদীকে ৫ ভাইয়ের বিয়ে করার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিলেন যুধিষ্ঠির। বিয়ের পর দ্রৌপদী একজনকে সামলাতেই জিভ বেরিয়ে যায় সেখানে পাঁচ জন! যাইহোক, দ্রৌপদী সবাইকে সামলে সুখে ঘর-সংসার করছেন। তবে অনেক শর্ত এবং ধারা আছে। এরমধ্যে প্রধান শর্ত, যে স্বামী দ্রৌপদীর সঙ্গে সময় কাটাবেন তাঁর পাদুকা বা জুতো ঘরের বাইরে খুলে রেখে আসতে হবে।যাতে অন্য জন বুঝতে পারে যে ঘরের মধ্যে দ্রৌপদীর সাথে আরো একজন আছে। ঠিক এই সময় যাওয়া যাবেনা। কিন্তু কোনও এক সময় পাদুকা বাইরে রেখেই দ্রৌপদীর সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন এক পান্ডব। তখনই এক কুকুর খুলে রাখা জুতো নিয়ে পালায়। ফলে ঘরের বাইরে ফাঁকা হয়ে গেল। অন্য পান্ডব ভাবলেন, দ্রৌপদী ঘরে একাই আছেন। তিনি সাদা মনে ঘরে ঢুকতেই দেখে দ্রৌপদীর সাথে এক পান্ডব আছেন। দ্রৌপদী দেখে ফেলল পান্ডবকে। সাথে সাথে দ্রৌপদীর তো মাথায় হাত! এত নিয়মে বাঁধার পরে এক স্বামী থাকা অবস্থায় অন্য স্বামী ঢোকে কী করে? অনুসন্ধান চালিয়ে জানা গেল সব দোষ বেটা কুকুরের। মহা রেগেমেগে দ্রৌপদী কুকুর প্রজাতিকে অভিশাপ দিলেন, সমগ্র পৃথিবী তোদের সঙ্গম দেখবে আর মজা করবে।

No comments:
Post a Comment