অমিতের কাছে আত্মসমর্পণ করল তৃণমূল!
ছবিঃ বিভাস লোধ
বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের কাছে আত্মসমর্পণ করল তৃণমূল।বৃহস্পতিবার
বীরভূমের তারাপীঠে আসবেন বিজেপির
সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ ।তবে রাস্তার ধারগুলিতে সারি দিয়ে রয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ও বীরভূম নেতা অনুব্রত মন্ডলের হোডিং ও ব্যানার।কোথাও দেখা যায়নি অমিতবাবুর ছবি।এনিয়ে
রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে হোডিং বিতর্ক।
মুখ্যমন্ত্রী
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হোডিং,ব্যানার প্রসঙ্গে অভিনয় জগত থেকে আসা বিজেপি রাজ্য নেতা
জয় বন্দ্যপাধ্যায়ের ব্যাখ্যা, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমিত শাহের কাছে স্যারেন্ডার করেছেন’।মমতা
বন্দ্যোপাধ্যায় ও অনুব্রত মন্ডলের হাত জোড় করা ছবি কার্যত বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি
অমিত শাহের কাছে আত্ম সমর্পণের সামিল।
প্রসঙ্গত জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও দাবী, বীরভূমের বিভিন্ন
গ্রাম প্রান্তরে বিজেপিকে ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে তিনি চিনিয়েছিলেন।সেই বীরভূম এখন
অনেক বদলেছে।পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল লক্ষ্য করলে দেখা যায় তৃণমূলের ঘাড়ে নিশ্বাস
ফেলেছে বিজেপি।শুধু তাই না পাশের জেলা মুর্শিদাবাদে প্রথম বিজেপির সভা করেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায়।
জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে যে টার্গেট নিয়েছে তাতে করে আগামী দিনে
ভোট চাওয়ার জন্য নয়,বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে এইভাবেই হোডিংয়ের মাধ্যমে আত্মসমর্পণ
করবে তৃণমূল। তাঁর আরও দাবী, তৃণমূলের এই ধরনের চালাকি তিনি খুব ভালো করে জানেন।আসন্ন
লোকসভা নির্বাচনের ট্রেলার পঞ্চায়েত ভোটে দেখিয়ে দিয়েছে বিজেপি।আর সেই কারণেই দলনেত্রী
থেকে নিচুতলার নেতা ,প্রত্যেকেই এখন পিঠ বাঁচাতে ব্যস্ত।
এ প্রসঙ্গে কলকাতায় অমিত শাহ আসার পরে সাংবাদিকদের রাজ্যসভা
সাংসদ রুপা গাঙ্গুলী বলেন,তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া বাকি নেতৃত্বের বুদ্ধি
লোপ পেয়েছে।এ কাজ তৃণমূলের সাঙ্গ-পাঙ্গদের। আর সেই কারণেই তৈরি হয়েছে হোডিং বিতর্ক।
দুইদিনের রাজ্য সফরে অমিত শাহের বীরভূমের পথে তৃণমূল হোডিং লাগাতে পারলেও,পুরুলিয়াতে
হোডিং লাগাতে পুরোপুরি ব্যর্থ।এ প্রসঙ্গে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,পুরুলিয়ায় বীরভূমের
মতন হোডিং লাগানোর সাহস দেখাক তৃণমূল! ? দেখি কত সাহস?!
অন্যদিকে মুকুল রায় বলেছেন,পুরুলিয়ায় আগামী দিনে তৃণমূল মুক্তি
দেখাবে।
প্রসঙ্গত, এক নজরে দেখলে মনে হবে তারাপিঠে মমতা ব্যানার্জী আসছেন, কারণ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক
মনসুভা মোড় থেকে তারাপীঠ পর্যন্ত আস্তার দুদিকে মুখ্য মন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ও
তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের কাট আউটে ছেয়ে গিয়েছে তারাপীঠ চত্বর। বাংলা
হিন্দী দুই ভাষাতে পুর্ণার্থীদের স্বাগত জানিয়েছেন। রাস্তার দুদিকে এই সব কাট আউট
দেখে মনে হতেই পারে মুখ্যমন্ত্রীর আগমনের কথা, তবে আসলে মুখ্যমন্ত্রী নয়। আসছেন বিজেপি সর্ব ভারতীয়
সভাপতি অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া যাওয়ার আগে
তারাপিঠে মা তারা দর্শন করে যাওয়ার কথা। মাতারাকে পুজো দেওয়ার পর কিছুটা সময় বিজেপি
জেলা নেতাদের সঙ্গে সাংঘঠনিক আলোচনা করে পুরুলিয়া যাবেন। বিজেপি তরফ থেকে তার
প্রস্তুতি চলছে।পাশাপাশি তৃণমূলের পক্ষ থেকে চলছে এই ধরনের কাট আউট লাগানোর
কাজ। বিজেপি নেতৃত্বর দাবি এখানে বিজেপি সংঘটন বাড়ছে। তাই ভয় পেয়ে অমিত জি কে
দেখাতে চাইছে এখানে তৃণমূলের ক্ষমতা। যদিও অমিত সাহর জন্য নয়। এই ধরনের কাট আউট
বছরে বিশেষ দিনে লাগানো হয় তারাপিঠে। এলাকায় যে উন্নয়ন হছে যেমন সাধারণ
পুর্ণার্থীদের কাছে তুলে ধরা পাসাপাশী অম্বুবাচীর জন্য পুর্ণার্থীদের স্বাগত
জানাতে এই উদ্যগ বলে জানান মন্ত্রী আশিস ব্যানার্জী থেকে ব্লক সভাপতি।
ভিডিওতে দেখুন সেই দৃশ্য......
ভিডিওতে দেখুন সেই দৃশ্য......


No comments:
Post a Comment