নারীর হস্তমৈথুনের কৌশলের মধ্যে রয়েছে ভালভা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ঘর্ষণ করা, বিশেষ করে ভগাঙ্কুরে। এই ঘর্ষণ হতে পারে তার অনামিকা বা মধ্যমা আঙুলের দ্বারা। কিছুক্ষেত্রে জি-স্পটে ঘর্ষণ সৃষ্টির জন্য যোনিপথে এক বা একাধিক আঙুল প্রবেশ করানো হয়। অনেক নারী হস্তমৈথুন করার সময় অপর হাতের দ্বারা নিজেদের স্তন ও স্তনবৃন্তে হাত বুলাতে পছন্দ করেন। কারণ এটি যৌন উত্তেজক অঙ্গ ও উত্তেজনা সৃষ্টিতে এর ভূমিকার রয়েছে। আবার কেউ কেউ পায়ু উত্তেজনাও উপভোগ করেন। নারীর হস্তমৈথুনের জন্য যোনিপথ পিচ্ছিল করতে অনেকে বাড়তি লুব্রিকেটিং বা তৈলাক্ত পদার্থ ব্যবহার করেন, বিশেষ করে যখন কোনো কিছু প্রবেশ করানো প্রয়োজন হয়। কিন্তু এটির ব্যবহার সকল স্থানে প্রচলিত নয়। অনেক নারী তাঁদের নিজেদের প্রাকৃতিক লুব্রিকেশনকেই যথেষ্ট বলে মনে করেন।
হেলদি্ষ্ট্রেক.কম দ্বারা ২০০৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে অক্টবরের মধ্যবর্তী সময়ে নারী পুরুষের স্বমৈথুন নিয়ে একটি জরিপ পরিচালনা করা হয়। সেই জরিপে পাওয়া তথ্য নিয়ে আমাদের এই লেখা।
জরিপের উল্লেখ যোগ্য কিছু বিষয়ঃ
টিএমএস (আঘাতকারী হস্তমৈথুন সিনড্রোম) অর্থাৎ নারী বিছানা, মেঝে কিংবা অন্য কোন বস্তুর উপর উপুড় হয়ে শুয়ে স্বমৈথুন করার ফলে পুরুষের মত মারাত্মক শাররীক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। তার মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হল – যেসকল নারী অতিমাত্রায় স্বমৈথুন অথবা টিএমএস করেন তারা সঙ্গীর সাথে যৌন মিলনের সময় অপপেক্ষাকৃত কম স্বমৈথুনকরী নারীর তুলনায় কম মাত্রায় ওরগাজম (পুর্ন যৌন তৃপ্তি) অর্জন করেন।
নারী শাররীক মিলনের চেয়ে স্বমৈথুনে মজা বেশি পেয়ে থাকে বলে জরিপে জানা গেছে। পক্ষান্তরে পুরুষ হস্তমৈথুনের চেয়ে শাররীক মিলনকালেই বেশি আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
অধিকাংশ নারীরা সাধারনত অন্যের কাছ থেকে অথবা বই কিংবা ছবি দেখে স্বমৈথুন শিখে থাকেন। পুরুষের ক্ষেত্রে অন্যের কাছ থেকে শিক্ষা নেবার হার তুলনামুলক ভাবে কম।
স্বমৈথুনকারী ৮৬ ভাগ নারী যোনী মুখের পর্দা মর্দন করে হস্তমৈথুনের আনন্দ নিয়ে থাকে। ৭৪ ভাগ নারী যৌনাঙ্গে আঙ্গুল কিংবা অন্য কোন বস্তু ঢুকিয়ে স্বমৈথুন করেন।
পুরুষের তুলনায় অর্ধেকের বেশী নারী স্বমৈথুন কালে হাত পরিবর্তন করে থাকেন।
শাররীক মিলনের আসনগুলোর মাঝে নারীগন – “নারী পুরুষের উপর আরোহন” করা অবস্থায় অধিকতর ওরগাজম তথা পুর্ন যৌন তৃপ্তি অর্জন করতে সক্ষম।
জরিপের উল্লেখ যোগ্য কিছু বিষয়ঃ
টিএমএস (আঘাতকারী হস্তমৈথুন সিনড্রোম) অর্থাৎ নারী বিছানা, মেঝে কিংবা অন্য কোন বস্তুর উপর উপুড় হয়ে শুয়ে স্বমৈথুন করার ফলে পুরুষের মত মারাত্মক শাররীক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। তার মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হল – যেসকল নারী অতিমাত্রায় স্বমৈথুন অথবা টিএমএস করেন তারা সঙ্গীর সাথে যৌন মিলনের সময় অপপেক্ষাকৃত কম স্বমৈথুনকরী নারীর তুলনায় কম মাত্রায় ওরগাজম (পুর্ন যৌন তৃপ্তি) অর্জন করেন।
নারী শাররীক মিলনের চেয়ে স্বমৈথুনে মজা বেশি পেয়ে থাকে বলে জরিপে জানা গেছে। পক্ষান্তরে পুরুষ হস্তমৈথুনের চেয়ে শাররীক মিলনকালেই বেশি আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
অধিকাংশ নারীরা সাধারনত অন্যের কাছ থেকে অথবা বই কিংবা ছবি দেখে স্বমৈথুন শিখে থাকেন। পুরুষের ক্ষেত্রে অন্যের কাছ থেকে শিক্ষা নেবার হার তুলনামুলক ভাবে কম।
স্বমৈথুনকারী ৮৬ ভাগ নারী যোনী মুখের পর্দা মর্দন করে হস্তমৈথুনের আনন্দ নিয়ে থাকে। ৭৪ ভাগ নারী যৌনাঙ্গে আঙ্গুল কিংবা অন্য কোন বস্তু ঢুকিয়ে স্বমৈথুন করেন।
পুরুষের তুলনায় অর্ধেকের বেশী নারী স্বমৈথুন কালে হাত পরিবর্তন করে থাকেন।
শাররীক মিলনের আসনগুলোর মাঝে নারীগন – “নারী পুরুষের উপর আরোহন” করা অবস্থায় অধিকতর ওরগাজম তথা পুর্ন যৌন তৃপ্তি অর্জন করতে সক্ষম।

No comments:
Post a Comment