জন্মের প্রথম ১০ মাস বয়সেই ওজন হয়েছে ৬২ পাউন্ড বা ২৮ কেজি। অবিশ্বাস্য শোনালেও এটাই বাস্তব মেক্সিকোর লুইস ম্যানুয়েল গনজালেসের জীবনে।
লুইস ম্যানুয়েল গনজালেস নামের এই শিশুটির ওজন অবিশ্বাস্য হারে দ্রুততার সঙ্গে বেড়েই চলেছে। সঙ্গে বাড়ছে তার ক্ষুদা। একটা সাধারণ শিশুর চেয়ে প্রায় ৬ গুণ বেশি খাবার খায় সে।
জন্ম থেকেই বিরল প্র্যাডার উইলি সিনড্রোমে আক্রান্ত লুইস ম্যানুয়েল গনজালেস এমনটিই জানিয়েছেন ডাক্তাররা। বিরল এই রোগে আক্রান্ত শিশুটির পরিবার মেক্সিকোর প্যাসিফিক কোস্ট স্টেটের টেকোমান অঞ্চলে থাকে। শিশু লুইসের মায়ের নাম ইসাবেল পান্তোজা ও বাবা ম্যারিও গনজালেস।
শিশুটির বাবা-মা বলেছেন, জন্মের সময় লুইস ম্যানুয়েল গনজালেসের ওজন ছিল ৩.৫ কেজি। মাস দুই পেরোতেই লুইসের ওজন ১০ কেজিতে হয়ে যায়। এরপর পরবর্তী আট মাসে ওজন পৌঁছায় ১৮ কেজিতে।
শিশু লুইসের মা ইসাবেল জানান, ‘ভেবেছিলাম বুকের দুধ বেশি পরিমাণে পায় বলে শিশুটির ওজন বেড়ে যাচ্ছে। এখন তার চিকিৎসার জন্য অনেক খরচ লাগবে। এজন্য আর্থিক সহায়তা পেতে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।
লুইস ম্যানুয়েল গনজালেস নামের এই শিশুটির ওজন অবিশ্বাস্য হারে দ্রুততার সঙ্গে বেড়েই চলেছে। সঙ্গে বাড়ছে তার ক্ষুদা। একটা সাধারণ শিশুর চেয়ে প্রায় ৬ গুণ বেশি খাবার খায় সে।
জন্ম থেকেই বিরল প্র্যাডার উইলি সিনড্রোমে আক্রান্ত লুইস ম্যানুয়েল গনজালেস এমনটিই জানিয়েছেন ডাক্তাররা। বিরল এই রোগে আক্রান্ত শিশুটির পরিবার মেক্সিকোর প্যাসিফিক কোস্ট স্টেটের টেকোমান অঞ্চলে থাকে। শিশু লুইসের মায়ের নাম ইসাবেল পান্তোজা ও বাবা ম্যারিও গনজালেস।
শিশুটির বাবা-মা বলেছেন, জন্মের সময় লুইস ম্যানুয়েল গনজালেসের ওজন ছিল ৩.৫ কেজি। মাস দুই পেরোতেই লুইসের ওজন ১০ কেজিতে হয়ে যায়। এরপর পরবর্তী আট মাসে ওজন পৌঁছায় ১৮ কেজিতে।
শিশু লুইসের মা ইসাবেল জানান, ‘ভেবেছিলাম বুকের দুধ বেশি পরিমাণে পায় বলে শিশুটির ওজন বেড়ে যাচ্ছে। এখন তার চিকিৎসার জন্য অনেক খরচ লাগবে। এজন্য আর্থিক সহায়তা পেতে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।
No comments:
Post a Comment