১৯৯২ সাল। মার্কিন এক নারী কনসিভ করেন। কিন্তু তিনি ওই ভ্রূণ থেকে সন্তান জন্ম না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে একটি ভ্রূণ সংরক্ষণ সেন্টারে তিনি ভ্রূণটি দান করেন।
এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়। প্রায় ২৫ বছর পর সেই ভ্রূণ থেকে জন্ম নিল এক ফুটফুটে শিশু। যাকে ওর বর্তমান বাবা-মা আদর করে নাম দিয়েছে এমা রেন গিবসন। তবে এমা যার গর্ভে জন্ম নিয়েছে সেই টিনা কিন্তু ওর জৈবিক মা নন।
চলতি বছরের মার্চেই টিনার গর্ভে ওই ভ্রূণটি ঢোকানো হয়। আর নভেম্বরে জন্ম হয় এমার।
টেনিসির বাসিন্দা টিনা বলছেন, আপনি বুঝতেই পারছেন- যখন ভ্রূণ দেয়া হয় তখন আমার বয়স মাত্র ২৫। ভ্রূণের বয়সও ২৫। ভ্রূণটি থেকে যদি ওই সময় বাচ্চা জন্ম নিতো। তাহলে হয়তো তার সঙ্গে ভালো বন্ধু হতে পারতাম।
টিনা আরো বলেন, আমি শুধু একটি সন্তান চেয়েছিলাম। এটা বিশ্ব রেকর্ড কিনা সেটা নিয়ে আমার কোনো মাথা ব্যথা নেই।
এদিকে তার স্বামী বেনজামিন বলেন, এমা আমাদের জীবনে একটা মিরাকল। আমি মনে করি, এতো বছর হিমায়িত থাকার পরও ও (এমা) খুব সুন্দর।
ধর্মীয় বিশ্বাসকেন্দ্রিক ন্যাশনাল এমব্রিও ডোনেশন সেন্টার এই ভ্রূণ সরবরাহ করেছে। সেখানকার ডাক্তারদের কাছে ওই ভ্রূণগুলো ‘স্নো বেবি’ নামে পরিচিত।
যে দম্পতিরা নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে বেশি সন্তান চান না তাদের ভ্রূণ সংগ্রহ করে প্রতিষ্ঠানটি। যাতে নিঃসন্তান দম্পতিরা বাবা-মা হতে পারেন।
বেনজামিন গিবসনের সন্তান উৎপাদনে অক্ষমতার কারণে এই দম্পতি প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগ করে।
ধারণা করা হচ্ছে, এটা বিশ্বের সবচেয় দীর্ঘস্থায়ী ভ্রূণ, যা থেকে সন্তান জন্ম নিলো।

No comments:
Post a Comment