‘রক্ষণশীল’ বলে পরিচিত ব্রিটিশরাও পর্নোগ্রাফিতে আশক্ত। আর ব্রিটিশ জনপ্রতিনিধিরাও কম যান না। ছ’মাসে অন্তত ২৪ হাজার বার পর্নো সাইট খোলার চেষ্টা করেছেন ব্রিটিশ সাংসদরা।
মানে প্রতিদিন ১৬০ বার পর্নো দেখার চেষ্টা হয়েছে। নজিরবিহীন যৌন কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছে ব্রিটিশ সংসদ ওয়েস্টমিনস্টার। যার জেরে নিজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী দামিয়েন গ্রিনকে বরখাস্ত করেছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে।
২০০৮ সালে সংসদে তাঁর কম্পিউটার থেকে পর্নো ভিডিও পাওয়া যায়। সেই নিয়ে তদন্তের সময় পুরো ঘটনা অস্বীকার করেন দামিয়েন। তথ্যের স্বাধীনতা আইনে প্রেস অ্যাসোসিয়েশন নামে এক সংস্থা পর্নোগ্রাফি নিয়ে তথ্য জানতে চেয়েছিল।
দেখা যাচ্ছে, শুধু সেপ্টেম্বরেই পর্নোগ্রাফি দেখতে চেয়ে ৯ হাজার ৪৬৭ বার চেষ্টা করেছেন হাউস অব লর্ডস এবং হাউস অব কমন্সের সদস্যরা। বহু পর্নো সাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এরপরেও পর্নোগ্রাফি দেখার চেষ্টায় খামতি নেই। তবে আশার কথাও শোনা গিয়েছে। সম্প্রতি পর্নোগ্রাফি দেখার প্রবণতা কমেছে।

No comments:
Post a Comment