আজকাল মানুষ বিভিন্ন অনুষ্ঠান কিংবা অজুহাতে রেস্টুরেন্টে আড্ডাবাজির মাধ্যমে সময় কাটায়। তাই দিনদিন নানারকম চমকে সাজানো হয় রেস্টুরেন্টগুলো। যেমন, এটা খেলে ওটা ফ্রি তো আছেই। তাই বলে ‘ডেজার্ট’ আইটেমে নারী শরীর থাকবে, এটা তো চিন্তার বাইরে! তবে এমনই চমক তৈরি হয়েছিলো থাইল্যান্ডের এক রেস্তোরাঁয়।
ভালোমন্দ খাবার, সুস্বাদু ড্রিংক আর শেষ পাতে একজন রূপবতী নারী! এটাই থাইল্যান্ডের এক প্রত্যন্ত এলাকার রীতি। কোনও অতিথি এলে তাদেরকে এভাবেই সেবা করা হয় এখানে। এভাবেই এই রীতি চলে আসছিলো দিনের পর দিন। কিশোরীদের এখানে শেষপাতের ‘ডেজার্ট’ হিসেবে গণ্য করা হতো। তবে সম্প্রতি ফাঁস হয়েছে সেই খবর।
ভিআইপি জাতীয় কোন ব্যক্তিকে এভাবেই আপ্যায়ন করা হতো সেই রেস্তোরাঁয়। বেশিরভাগ সময়েই অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এই কাজের জন্য। সেকথা সবাই জানলেও প্রকাশ্যে এব্যাপারে কোনও আলোচনা হয়নি। তবে সম্প্রতি এক কিশোরীর ঘটনায় পুলিশে মামলা হয়। তাতেই প্রকাশ্যে এসেছে এই রীতির কথা।
এই ব্যবসা যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল সেটা স্বীকার করে নিয়েছে এলাকার প্রশাসনের লোকজনও। এই প্রসঙ্গে এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, যখনই সেমিনার বা ওয়ার্ক শপে যোগ দিতে সেখানে কোনও ভিআইপি আসে, তখন তাদের আপ্যায়ন করার বিশেষ ব্যবস্থায় খাবার দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। এরপরেই নিয়ে আসা হয় কিশোরীদের। শুধু তাই নয়, অনেক সময় একাধিক মেয়ের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়। কদিন আগে সংবাদমাধ্যমে চলে আসে সেই খবর। এরপরই ওই দেহব্যবসার শিকড় খুঁজে বের করা হয়।
ভালোমন্দ খাবার, সুস্বাদু ড্রিংক আর শেষ পাতে একজন রূপবতী নারী! এটাই থাইল্যান্ডের এক প্রত্যন্ত এলাকার রীতি। কোনও অতিথি এলে তাদেরকে এভাবেই সেবা করা হয় এখানে। এভাবেই এই রীতি চলে আসছিলো দিনের পর দিন। কিশোরীদের এখানে শেষপাতের ‘ডেজার্ট’ হিসেবে গণ্য করা হতো। তবে সম্প্রতি ফাঁস হয়েছে সেই খবর।
ভিআইপি জাতীয় কোন ব্যক্তিকে এভাবেই আপ্যায়ন করা হতো সেই রেস্তোরাঁয়। বেশিরভাগ সময়েই অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এই কাজের জন্য। সেকথা সবাই জানলেও প্রকাশ্যে এব্যাপারে কোনও আলোচনা হয়নি। তবে সম্প্রতি এক কিশোরীর ঘটনায় পুলিশে মামলা হয়। তাতেই প্রকাশ্যে এসেছে এই রীতির কথা।
এই ব্যবসা যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল সেটা স্বীকার করে নিয়েছে এলাকার প্রশাসনের লোকজনও। এই প্রসঙ্গে এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, যখনই সেমিনার বা ওয়ার্ক শপে যোগ দিতে সেখানে কোনও ভিআইপি আসে, তখন তাদের আপ্যায়ন করার বিশেষ ব্যবস্থায় খাবার দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়। এরপরেই নিয়ে আসা হয় কিশোরীদের। শুধু তাই নয়, অনেক সময় একাধিক মেয়ের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়। কদিন আগে সংবাদমাধ্যমে চলে আসে সেই খবর। এরপরই ওই দেহব্যবসার শিকড় খুঁজে বের করা হয়।
No comments:
Post a Comment