চাঁদনী, পূর্ব মেদিনীপুর: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দিঘা মোহনাতে সব থেকে বড় মৎস নিলাম কেন্দ্র। আর এই মৎস নিলাম কেন্দ্র থেকে প্রত্যেক কয়েককটি টাকার মাছ কেনা বেঁচা হয়। আর এখান থেকে বিদেশ এও মাছ রপ্তানি কর হয়। আর এর জন্য বিদেশি মুদ্রা আসে আর সেই টাকা সরকারের কাছে মুনাফা হয়। আর মৎস্য নিলাম কেন্দ্রে কয়েক হাজার ট্রলার মালিক আড়তদার মৎস্যজীবি জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু দিঘা মোহনা থেকে শংকরপুর বন্দর পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় নদী ও সমুদ্রের নাব্যতা কমে জাওয়াই অনেক জায়গায় চড়া পড়ে গিয়েছে। তাই দিঘা মোহনা থেকে শংকরপুর বহু ট্রলার ঢোকা বন্ধ করে দিয়েছে। মোহনা থেকে ট্রলার ঢোকার সময় চড়া ও বোল্ডারে ধাক্কা লেগে বহু ট্রলার ডুবে গিয়েছে আর অনেক ট্রলার ফেটে গেছে। আর শংকরপুরে ট্রলার না ঢোকায় বেশির ভাগ ট্রলার পেটুয়াঘাট মৎস্য বন্দরে মাছ ভর্তি ট্রলার গুলি চলে যাচ্ছে। সেখান ট্রলার থেকে মাছ আনলোড করে আবার গাড়িতে করে দিঘা মোহনাতে নিয়ে আসতে হচ্ছে তার জন্যে মাছ এর দাম ও বেড়ে যাচ্ছে। আবার অনেক ট্রলার মালিক এই সমস্যার জন্য ট্রলার বন্ধ করে দিয়েছেন। অন্য দিকে মোহনা অনেক পাইকারি মাছের আড়ত দার রাও মঞ্চের দাম বেশি হওয়ায় আড়ত ও বন্ধ করে দিয়েছেন। সবার দাবি দ্রুত ড্রেজিং না করলে মোহনায় মাছ এর ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। অার ড্রেজিংয়ের ব্যাপারে মৎস বেবসায়ি ইউনিয়ন রাজ্য সরকার কেন্দ্র সরকারকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন কিন্তু লাভ কিছু হয়নি। তাই ছিনতাই মৎস্য ব্যবসা থেকে ট্রলার মালিক থেকে ছিনতাইয়ের দিন কাটছেন।
চাঁদনী, পূর্ব মেদিনীপুর: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দিঘা মোহনাতে সব থেকে বড় মৎস নিলাম কেন্দ্র। আর এই মৎস নিলাম কেন্দ্র থেকে প্রত্যেক কয়েককটি টাকার মাছ কেনা বেঁচা হয়। আর এখান থেকে বিদেশ এও মাছ রপ্তানি কর হয়। আর এর জন্য বিদেশি মুদ্রা আসে আর সেই টাকা সরকারের কাছে মুনাফা হয়। আর মৎস্য নিলাম কেন্দ্রে কয়েক হাজার ট্রলার মালিক আড়তদার মৎস্যজীবি জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু দিঘা মোহনা থেকে শংকরপুর বন্দর পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় নদী ও সমুদ্রের নাব্যতা কমে জাওয়াই অনেক জায়গায় চড়া পড়ে গিয়েছে। তাই দিঘা মোহনা থেকে শংকরপুর বহু ট্রলার ঢোকা বন্ধ করে দিয়েছে। মোহনা থেকে ট্রলার ঢোকার সময় চড়া ও বোল্ডারে ধাক্কা লেগে বহু ট্রলার ডুবে গিয়েছে আর অনেক ট্রলার ফেটে গেছে। আর শংকরপুরে ট্রলার না ঢোকায় বেশির ভাগ ট্রলার পেটুয়াঘাট মৎস্য বন্দরে মাছ ভর্তি ট্রলার গুলি চলে যাচ্ছে। সেখান ট্রলার থেকে মাছ আনলোড করে আবার গাড়িতে করে দিঘা মোহনাতে নিয়ে আসতে হচ্ছে তার জন্যে মাছ এর দাম ও বেড়ে যাচ্ছে। আবার অনেক ট্রলার মালিক এই সমস্যার জন্য ট্রলার বন্ধ করে দিয়েছেন। অন্য দিকে মোহনা অনেক পাইকারি মাছের আড়ত দার রাও মঞ্চের দাম বেশি হওয়ায় আড়ত ও বন্ধ করে দিয়েছেন। সবার দাবি দ্রুত ড্রেজিং না করলে মোহনায় মাছ এর ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। অার ড্রেজিংয়ের ব্যাপারে মৎস বেবসায়ি ইউনিয়ন রাজ্য সরকার কেন্দ্র সরকারকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন কিন্তু লাভ কিছু হয়নি। তাই ছিনতাই মৎস্য ব্যবসা থেকে ট্রলার মালিক থেকে ছিনতাইয়ের দিন কাটছেন।

No comments:
Post a Comment