বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড দলের সফলতার গোপন মন্ত্র প্রকাশ করলেন জেমি ভারডির স্ত্রী রেবেকা ভারডি। তিনি বেকি ভারডি নামেও পরিচিত। তিনি বলেছেন, অন্যবারের বা অন্য কোনো দলের মতো নয়। ইংল্যান্ড দলের এবারের খেলোয়াড়দের তাদের স্ত্রী ও গার্লফ্রেন্ডদের সঙ্গে অবাধে সেক্স করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো রাখঢাক রাখা হয় নি। ফলে খেলোয়াড়রা মাঠের বাইরে তাদের স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ডদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে মানসিকতা রাখছেন প্রফুল্ল।
তিনি লন্ডনের দ্য সান পত্রিকাকে সেইন্ট পিটার্সবুর্গ হোটেল থেকে একটি সাক্ষাৎকার দেন। এতে রেবেকা ভারডি বলেন, ম্যানেজার দলের মানসিকতা ঠিক রাখতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। খেলোয়াড়দের সঙ্গে তিনি মিশে থাকেন। তাদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে মেশেন। তিনি পরিবারের সবার কথা ভাবেন। খেলার পরে তিনি পারিবারিক মূল্যবোধ বুঝতে পারেন। তাই খেলোয়াড়দের জন্য তার মানসিকতা শিথিল করেছেন। এক্ষেত্রে সেক্স হলো ওষুধের মতো। কোনো খেলার আগে এটাকে বন্ধ করা মানে হলো খেলোয়াড়কে রেড কার্ড দেখানো।আর সেটাই তাদের সফলতার মূল চাবিকাঠি। স্ট্রাইকার জেমি ভারডির স্ত্রী রেবেকাও কোনো ভনিতার আশ্রয় না নিয়ে একেবারে প্রকাশ্যে বলে দিয়েছেন এসব কথা। এজন্য তিনি দলের ম্যানেজারের প্রশংসা করেছেন। বলেছেন, ম্যানেজার গারেথ সাউথগেট ঠিক কাজটিই করেছেন। তিনি জানেন, কী করলে তার স্কোয়াডের সদস্যদের মানসিকতা থাকবে ফুরফুরে। তাই তিনি তাদের প্রিয়জনের সঙ্গে অবাধে মেলামেশার অনুমতি দিয়েছেন।
সেক্সকে লুকিয়ে রাখলে এতে সফলতা দেবে এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। বরং এতে পারফরমেন্স বাড়ে। তাই ম্যানেজার ইংলিশ খেলোয়াড়দের অনুমতি দিয়েছেন। গত কয়েক দিন ধরে একটি গুজব শোনা যাচ্ছে। তা হলো রাশিয়ায় পাঁচ তারকা হোটেলে অবস্থান করছেন ইংলিশ দলের খেলোয়াড়দের স্ত্রী ও গার্লফ্রেন্ডরা। সেখানে গোপনে ঢুঁ মারতে দেখা গেছে বেশকিছু খেলোয়াড়কে। তারা সেখানে তাদের সঙ্গে একান্তে সময় কাটিয়েছেন।
তবে রেবেকা ভারডি বলেন, দলের সবাই ম্যানেজারের নির্দেশনা অনুসরণ করে চলছে। ম্যানেজার তো পাস দিয়ে দিয়েছেন। তাহলে কেন গোপনে এ কাজ করতে হবে। শেষ ষোল থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে যেতে হলে ইংল্যান্ডকে মুখোমুখি হতে হবে কলম্বিয়ার। রেবেকা চান তারা বেলজিয়ামের কাছে ১-০ তে যে হেরে গেছেন সেখান থেকে তাদের ফিরে আসতে হবে। তার জন্য প্রয়োজন কি? খেলোয়াড়দের চাঙ্গা রাখা। তার জন্য প্রয়োজন তাদের একান্তে সময় দেয়া, যৌন সম্পর্ক স্থাপন।

No comments:
Post a Comment