মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিন ২৪ পরগণা :কলেজের ছাত্র ইউনিয়ন দখলকে কেন্দ্র করে চললো ব্যাপক বোমাবাজি। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিন চব্বিশ পরগনার দক্ষিন বারাসাতের ধ্রুব চাঁদ হালদার কলেজে।
পুলিশ সূত্রের খবর ,শুক্রবার জয়নগরের তৃনমূলের দুই গোষ্ঠীর এলাকা দখলের লড়াই শুরু হয় । একদিকে স্থানীয় বিধায়ক বিশ্বনাথ দাসের গোষ্ঠী আরেক দিকে প্রাক্তন ব্লক সভাপতি গৌর সরকারের গোষ্ঠী। এবার এই লড়াই গড়াল ধ্রুবচাঁদ হালদার কলেজে। শুক্রবার ধ্রুবচাঁদ হালদার কলেজে বেলা বারতেই ছাত্র ছাত্রিরা আসতে শুরু করে , হঠাৎ বেলা এগারোটা নাগাদ একদল বহিরাগত দুস্কৃতি কলেজ চত্বরে ঢুকে তান্ডব শুরু করে দেয়। খবর যায় জয়নগর থানার পুলিশের কাছে। পুলিশ আসতে দেরি করেনি কিন্তু তৃনমূলের ছত্রছাওয়ায় থাকা দুস্কৃতিদের আটকানোর কোন চেস্টা তাদের মধ্যে দেখা যায়নি। ফলে অবাধে বহিরাগত তৃনমূলি দুস্কৃতীরা কলেজের ভিতর উইকেট লাঠি বাঁশ নিয়ে কার্যত তান্ডব চালায়। অভিযোগ গৌর সরকার গোষ্ঠীর হাতে থাকা ছাত্র ইউনিয়নের দখল নিতেই আজ স্থানীয় বিধায়ক বিশ্বনাথ দাসের দুস্কৃতী বাহিনী কলেজের মধ্যে ঢুকে তান্ডব চালায়। যার ফলে এক জন আহত হয়।তাকে স্থানীয় পদ্মেরহাট গ্রামীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন একটাই কদিন আগেই সারা রাজ্য জুরে কলেজে ভর্তি নিয়ে সংঘর্ষ তোলাবাজি স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রিকে ভাবতে বাধ্য করেছিল। আর তার রেস কাটতে না কাটতেই কলেজ চত্বরে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঢেউ আছরে পরে। যে সংঘর্ষে শুধু হাতে বাঁশ উইকেট নয় একেবারে কলেজ চত্বরে ও কলেজের বাইরে পুলিশের সামনে মুহুরমুহু বোমা ছুরেছে তৃনমূলের দুস্কৃতীরা ।
পুলিশ নিষ্কৃয় নেতারা চাই ছাত্র রাজনিতির ক্ষমতা যার দরুন এই ছাত্র সংঘর্ষ এখনি থামার কোন লক্ষন নেই। তাহলে কার আস্বাসে কার ভরসাতে ছাত্র ছাত্রিরা ভয় আতঙ্ককে দুরে সরিয়ে কলেজে উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে পঠন পাঠন করতে আসবে। সেটা ভাবতে হবে রাজনৈতিক নেতাদের পুলিশ প্রশাসনকে, নাহলে আগামী দিনে এই সমস্যা আরো ভয়াবহ আকার নেবে।


No comments:
Post a Comment