মঙ্গলগ্রহের টিকিট! - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 14 July 2018

মঙ্গলগ্রহের টিকিট!



মেরি নামের এক তরুণী সাম্প্রতিক দাবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগামাধ্যমে আলোচনা চলছে। তার দাবি, টাইম মেশিনে করে তিনি অতীতের পৃথিবীতে এসেছেন। তবে তা মঙ্গল গ্রহ থেকে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম এক প্রতিবেদনে জানায়, মেরি দাবির স্বপক্ষে একটি ছবি দেখিয়েছেন। যেখানে দেখানো হয়েছে লাল ভূ-পৃষ্ঠের মধ্যে উন্নত সব স্থাপনা দাঁড়িয়ে রয়েছে।
সাইত্রিশ বছরের মেরি’র গল্পটি হচ্ছে, এক ব্যক্তির সাহায্যে তিনি ৩৮১২ সাল থেকে ২০১৮ সালে পাড়ি দিয়েছেন। অবশ্য পৃথিবীর মানুষ হলেও তিনি বসবাস করতেন মঙ্গল গ্রহেই। সেখানে রোবট দিয়ে সব কাজ করা হয়। তার সময়ে পৃথিবীর সঙ্গে মঙ্গলের যাতায়াত ব্যবস্থাও নাকি বেশ সহজ!
তবে খুব বেশিদিন মঙ্গলে তার থাকার সুযোগ হয়নি বলেও সে জানিয়েছে। তার দাবি, লাল গ্রহের পরিবেশের কারণে সেখানে জনবসতি গড়ে উঠেছে মাটির নিচে।


ছবির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেবার তিনি প্রথম মঙ্গল গ্রহে পা ফেলেন তখনই দেখতে পান মরুভূমির মধ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য সুউচ্চ ভবন। তখনই নাকি মেরি সুযোগ বুঝে ছবি তুলে ফেলেন।
মেরি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মঙ্গল গ্রহের আকাশে তিনি মহাকাশ যানও উড়তে দেখেছেন। কথা প্রসঙ্গে মেরি আরও বলেন, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন নামের এক টাইম ট্রাভেলার অর্থাৎ সময় ভ্রমণকারী তাকে অতীতে আসতে সাহায্য করেছেন।
মেরি জানান, ৬০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি ভবিষ্যতের মানুষ হলেও তার আবিষ্কার দিয়ে অতীত ও ভবিষ্যতে যেতে পারেন। সেই ব্যক্তি তাকে তার গবেষণাগারও দেখিয়েছেন বলে দাবি মেরির। তিনি আরও বলেন, বেঞ্জামিনের বাসাতেই রয়েছে সেই গবেষণাগার।
অবশ্য আলাপ পরিচয় হলেও বেঞ্জামিন তাকে শুরুতেই টাইম মেশিনের কথা বলেননি। তার আগ্রহ দেখেই একপর্যায়ে তিনি সেটির রহস্য ফাঁস করেন। সেই মেশিনের সত্যতার প্রমাণ নিতে গিয়েই মেরির অতীতে চলে আসা। মেরি আরও বলেন, অতীতের পর ভবিষ্যতেও পাড়ি জমাবেন তিনি। কারণ সেটাই তার স্বপ্ন।
ভবিষ্যতের পরিবেশ সম্পর্কে মেরি বলেন, এখনকার সময়ের চাইতে ভবিষ্যতে পৃথিবীর পরিবেশ অনেক ভিন্ন। এখন যেমন নীল আকাশ দেখতে পাওয়া যায়, ভবিষ্যতের আকাশ তেমন নয়। সবুজের সমারোহও ভবিষ্যতের পৃথিবীতে নেই বলে জানান তিনি।
অবশ্য মেরি দাবি করা ছবি ও ভিডিও দেখে কেউ কেউ তাকে মানসিক রুগী বলে দাবি করেছেন। কেউ আবার বলেছেন, আলোচনার আসার জন্য মেরি নামের ওই তরুণী এসব কাল্পনিক গল্প তৈরি করেছেন।অবশ্য একটি পক্ষ মেরি এসব দাবিকে সত্য বলেই বিশ্বাস করেন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad