‘সম্মান বাঁচিয়ে যেকোনও চরিত্র করতে রাজি’ - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 26 July 2018

‘সম্মান বাঁচিয়ে যেকোনও চরিত্র করতে রাজি’




বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হুমা কুরেশি। সম্প্রতি ছোট পর্দার রিয়্যালিটি শো ‘ইন্ডিয়াজ বেস্ট ড্রামেবাজ’-এ বিচারক হিসেবে যোগদান করেছেন। তার জায়গায় এর আগে ছিলেন ক্যান্সার আক্রান্ত সোনালি বেন্দ্রে। যার আসনে বসছেন হুমা কুরেশি।
ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানালেন অনেক কথা। সাক্ষাৎকারটি পূর্বপশ্চিম বিডি নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-
সোনালির ক্যানসারের খবরটা কখন জানতে পারলেন?
যখন এই শোয়ের প্রস্তাব পাই, সোনালির অসুস্থতার ব্যাপারে কিছুই জানতাম না। খবরটা শোনার পরে বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। সোনালিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মেসেজ করেছি। আমি জানি, শি উইল ফাইট ব্যাক।
টেলিভিশনের কাজ কি বেশি ডিমান্ডিং?
ছবির কাজ অবশ্যই প্রথম পছন্দ। তবে টিভি আমাকে আকর্ষণ করত। টেলিভিশনের চাহিদা অনেক বেশি।
বিচারকের ভূমিকায় কতটা উপভোগ করছেন?
বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটালে চাপমুক্ত লাগে। এখনকার বাচ্চারা খুব ফোকাসড। খেলার সঙ্গে নিজেদের কাজটাও বোঝে।
আপনার প্রথম মেন্টর কে?
দিল্লিতে থিয়েটার করার সময়ে এন কে শর্মার কাছে অনেক কিছু শিখেছি। পরিচালক ও সহ-অভিনেতাদের কাছ থেকেও রোজ কিছু না কিছু শিখি।
আপনার ছোটবেলার কিছু গল্প বলুন...
যৌথ পরিবারে বড় হয়েছি। বাড়িতে অনেক ভাই-বোন। তাদের সঙ্গে এই আড়ি, এই ভাব করেই দিন কেটে যেত। মা পড়াশোনা নিয়ে বেশ কড়া ছিলেন। আমি পড়াশোনায় খুব ভাল ছিলাম। ক্লাসে হেডগার্লও ছিলাম। পাশাপাশি খেলাধুলো, বিতর্ক, প্রতিযোগিতা সবেতেই অংশ নিতাম।
পরিচালক সুজিত সরকার বলেছিলেন, রিয়্যালিটি শো বন্ধ হয়ে যাওয়া উচিত। আপনার কী মত?
আমি জানি, দাদা কী ভেবে এই মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু আমাদের শোয়ে জোর দেওয়া হয় ব্যক্তিত্বের বিকাশের উপরে। অযাচিত প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব যেন বাচ্চাদের মধ্যে না বাড়ে। ওদের কনফিডেন্স বাড়ানোই লক্ষ্য।
রজনীকান্তের সঙ্গে কাজ করে কেমন লাগল?
এত বড় স্টার হয়েও কত বিনয়ী উনি! এটা শেখার বিষয়। প্রতিটি শট দেওয়ার আগে অ্যালার্ট থাকতেন।
টিভির পরে আপনি কি ওয়েব সিরিজ়ে কাজ করবেন?
কেন করব না? ‘সেক্রেড গেমস’ দেখেছি। ভীষণ ভাল লেগেছে। মনমতো চরিত্র পেলে করব।
কিন্তু ওয়েব সিরিজ়ে সেন্সরশিপ নেই। এটা নিয়ে কী বলবেন?
ছবিতেও এখন এমন কনটেন্ট থাকে, যা সেন্সরে পাশ হয়ে যায়। আইটেম সং কথাটা আমার খুব খারাপ লাগে। এমন কথায় নারীর অপমান হয় না? আসলে আইটেম সং দিয়ে দর্শককে প্রলোভন দেখানো হয়। আমার সম্মান আমার কাছে সবচেয়ে দামি। সেটা বাঁচিয়ে যে কোনও চরিত্র করতে রাজি।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad