মুম্বাই, ২৭ জুলাই- ওয়েব সিরিজ ‘সেক্রেড গেমস’-এ তার অভিনয় নজর কেড়েছে সবার। সাইফ আলী খান আরো একবার নিজেকে প্রমাণ করলেন দক্ষ অভিনেতা হিসেবে। ঠিক এ রকম সময়ে এক যুগ আগে দেওয়া সাক্ষাৎকার আবারও উঠে এল একাধিক সংবাদমাধ্যমে।
এবেলা জানায়, ওই সময় অমৃতা সিং-এর সঙ্গে সাইফের ডিভোর্সের মামলা চলছিল।
‘ছোটে নবাব’-এর জীবন তখন মোটেও মসৃণ ছিল না। এখন কারিনা কাপুরের সঙ্গে সংসার সুখের হলেও অমৃতার সঙ্গে থাকাকালীন বহু বন্ধুর পথ পেরুতে হয়েছে সাইফকে। সেই স্মৃতিই বহন করছে এই সাক্ষাৎকার।
অমৃতার সঙ্গে যখন ডিভোর্সের মামলা চলছে তখন ছেলে ইব্রাহিম ও মেয়ে সারা আলী খানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতিও পেতেন না। এই বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার স্ত্রী ও আমি আলাদা রাস্তা বেছে নিয়েছিলাম। আমি স্ত্রীর সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা করতাম। তবুও আমাকে মনে করিয়ে দেওয়া হতো— আমি স্বামী ও বাবা হিসেবে কতটা খারাপ।’
২০০৫ সালে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে সাইফ বলেছিলেন, ‘ইব্রাহিমের ছবি আমার ওয়ালেটে রাখি। আমি যতবার এই ছবি দেখি আমার কান্না পায়। ওদের সঙ্গে দেখা করারও অনুমতি নেই আমার কাছে।’
ডিভোর্সের খোরপোশের ব্যাপারেও তিনি অনেক কিছু বলেছিলেন। অমৃতাকে মোট ৫ কোটি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। এছাড়াও ইব্রাহিমের ১৮ বছর হওয়া পর্যন্ত মাসে ১ লাখ টাকা করেও দিতেন। এই বিষয়ে মন্তব্য করেছিলেন, ‘আমি শাহরুখ খান নই। আমার কাছে অত টাকা নেই। আমি ওকে বলেছি সব টাকা দিয়ে দেব, এমনকী না খেয়ে মরলেও দিয়ে দেব।’ শাহরুখকে নিয়ে এই মন্তব্য নিয়ে সেই সময়ে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছিল।
ওই সময়ে সাইফের সম্পর্ক ছিল রোজা ক্যাটালানার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘রোজা ও আমি একটি দুই বেডরুমের ফ্ল্যাটে থাকি। কিন্তু তবুও বলব এত শান্তিতে আমি আগে কখনো থাকিনি।’
যদিও পরবর্তীকালে রোজার সঙ্গেও সম্পর্ক টেকেনি। কিন্তু এখন কারিনা ও তৈমুরকে নিয়ে বেশ সুখেই সংসার করছেন সাইফ
এবেলা জানায়, ওই সময় অমৃতা সিং-এর সঙ্গে সাইফের ডিভোর্সের মামলা চলছিল।
‘ছোটে নবাব’-এর জীবন তখন মোটেও মসৃণ ছিল না। এখন কারিনা কাপুরের সঙ্গে সংসার সুখের হলেও অমৃতার সঙ্গে থাকাকালীন বহু বন্ধুর পথ পেরুতে হয়েছে সাইফকে। সেই স্মৃতিই বহন করছে এই সাক্ষাৎকার।
অমৃতার সঙ্গে যখন ডিভোর্সের মামলা চলছে তখন ছেলে ইব্রাহিম ও মেয়ে সারা আলী খানের সঙ্গে দেখা করার অনুমতিও পেতেন না। এই বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার স্ত্রী ও আমি আলাদা রাস্তা বেছে নিয়েছিলাম। আমি স্ত্রীর সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা করতাম। তবুও আমাকে মনে করিয়ে দেওয়া হতো— আমি স্বামী ও বাবা হিসেবে কতটা খারাপ।’
২০০৫ সালে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে সাইফ বলেছিলেন, ‘ইব্রাহিমের ছবি আমার ওয়ালেটে রাখি। আমি যতবার এই ছবি দেখি আমার কান্না পায়। ওদের সঙ্গে দেখা করারও অনুমতি নেই আমার কাছে।’
ডিভোর্সের খোরপোশের ব্যাপারেও তিনি অনেক কিছু বলেছিলেন। অমৃতাকে মোট ৫ কোটি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। এছাড়াও ইব্রাহিমের ১৮ বছর হওয়া পর্যন্ত মাসে ১ লাখ টাকা করেও দিতেন। এই বিষয়ে মন্তব্য করেছিলেন, ‘আমি শাহরুখ খান নই। আমার কাছে অত টাকা নেই। আমি ওকে বলেছি সব টাকা দিয়ে দেব, এমনকী না খেয়ে মরলেও দিয়ে দেব।’ শাহরুখকে নিয়ে এই মন্তব্য নিয়ে সেই সময়ে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছিল।
ওই সময়ে সাইফের সম্পর্ক ছিল রোজা ক্যাটালানার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘রোজা ও আমি একটি দুই বেডরুমের ফ্ল্যাটে থাকি। কিন্তু তবুও বলব এত শান্তিতে আমি আগে কখনো থাকিনি।’
যদিও পরবর্তীকালে রোজার সঙ্গেও সম্পর্ক টেকেনি। কিন্তু এখন কারিনা ও তৈমুরকে নিয়ে বেশ সুখেই সংসার করছেন সাইফ
No comments:
Post a Comment