নিজস্ব সংবাদদাতা,কোলাঘাটঃ বিদ্যালয়ে প্রায়শই প্রধান শিক্ষক সহ বেশকয়েকজন শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসতে দেরী করেন, এমন অভিযোগ ছিলো দীর্ঘদিনের।সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবারই ফের দেরী ক্ষেত্রহাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিনয় বারিকের।স্থানীয় অবিভাবকদের অভিযোগ ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীরা সাড়ে দশটার আগে থেকে স্কুলের গেটে দাঁড়িয়ে ছিল এদিন।বিদ্যালয়ের অন্য এক শিক্ষকও গেটের পাঁচিলের বাইরে দীর্ঘক্ষন দাঁড়িয়ে থাকার পর প্রধান শিক্ষককে ফোন করলে তিনি জানান,বাচ্চাদের পাঁচিল টোপকে গিয়ে প্রার্থনা করতে।প্রধান শিক্ষকের কথামতো ঐ সহ শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের পাঁচিল টোপকে নিয়ে যায়।আর এতেই ক্ষেপেজান অবিভাবক সহ গ্রামবাসীরা।গ্রামবাসীদের আরো অভিযোগ প্রধান শিক্ষক সাড়ে এগারোটায় আসে চাবি নিয়ে।এরপর ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীরা দুই শিক্ষককে বিদ্যালয়ের ভেতর তালাবন্ধ করে রাখে দীর্ঘক্ষন।ঘটনাস্থলে আসেন পুলশিটা গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান অমিতা জানা এবং কোলাঘাট থানার পুলিশ।পুলিশের হস্তক্ষেপে ঘন্টাদেড়েক পর খোলা হয় তালা।এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষক মুচলেকা দেন আর কখনো দেরী করে আসবেন না।এই ঘটনায় চরম ক্ষুব্ধ অবিভাবকেরা।বিদ্যালয়ের এক ছাত্রের অবিভাবক প্রভাস চৌধুরী জানান,এই ঘটনা আজকের নয়।দীর্ঘ দিন ধরে হয়ে আসছে।বছর খানেক আগেও একই ভাবে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল অবিভাবকেরা।সেইসময়ও শিক্ষক মশাই কথা দিয়েছিলেন কোন সমস্যা হবে না।তাছাড়া বিদ্যালয়ের ভেতরে গাছ,আবর্জনায় ভর্তি।সাপের উপদ্রব হওয়ার সম্ভবনা।এসমস্ত জেনেও প্রধান শিক্ষকের কোন হুশনেই।আমরা চাই এই শিক্ষক বহু বছর আছে।ছাত্রথেকে স্কুলের কোন উন্নতি ঘটেনি।অবিভাবকেরা চায় অন্যত্র বদলি।বিদ্যালয়ের পরিবেশ ফিরে আসুক।তবে এই বিষয়ে পুলশিটা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অমিতা জানা জানান,এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।এর আগেও বেশকয়েকবার গন্ডগোল হয়েছিল।সেই সময় আমরাই অবিভাবকদের শান্ত কটি কোন সমস্যা আর হবেনা বলে।তবু বারেবারে একই অভিযোগ।প্রায় ঘন্টাদেড়েক স্কুলের মধ্যে তালা বান্দি রাখে গ্রামবাসীরা।এবারো পুলিশের কাছে মিচলেকা দিয়েছেন।আশাকরবো এবার বিদ্যালয়ের পরিবেশ ফিরে আসবে।তবে এদিন প্রধান শিক্ষক বিনয় বাবু জানান,ঘরে বিশেষ কাজের জন্য গিয়েছিলেন।এরপর থেকে ১১ টার মধ্যেই ক্লাস শুরু হবে।আর সমস্যা হবেনা বলে পুলিশের সামনেই জানান প্রধান শিক্ষক।এদিন ক্ষিপ্ত অবিভাবকেরা পুলিশের উপস্থিতিতে স্কুল ও জঙ্গল পরিস্কারে হাত লাগান।
নিজস্ব সংবাদদাতা,কোলাঘাটঃ বিদ্যালয়ে প্রায়শই প্রধান শিক্ষক সহ বেশকয়েকজন শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসতে দেরী করেন, এমন অভিযোগ ছিলো দীর্ঘদিনের।সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবারই ফের দেরী ক্ষেত্রহাট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিনয় বারিকের।স্থানীয় অবিভাবকদের অভিযোগ ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীরা সাড়ে দশটার আগে থেকে স্কুলের গেটে দাঁড়িয়ে ছিল এদিন।বিদ্যালয়ের অন্য এক শিক্ষকও গেটের পাঁচিলের বাইরে দীর্ঘক্ষন দাঁড়িয়ে থাকার পর প্রধান শিক্ষককে ফোন করলে তিনি জানান,বাচ্চাদের পাঁচিল টোপকে গিয়ে প্রার্থনা করতে।প্রধান শিক্ষকের কথামতো ঐ সহ শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের পাঁচিল টোপকে নিয়ে যায়।আর এতেই ক্ষেপেজান অবিভাবক সহ গ্রামবাসীরা।গ্রামবাসীদের আরো অভিযোগ প্রধান শিক্ষক সাড়ে এগারোটায় আসে চাবি নিয়ে।এরপর ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীরা দুই শিক্ষককে বিদ্যালয়ের ভেতর তালাবন্ধ করে রাখে দীর্ঘক্ষন।ঘটনাস্থলে আসেন পুলশিটা গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান অমিতা জানা এবং কোলাঘাট থানার পুলিশ।পুলিশের হস্তক্ষেপে ঘন্টাদেড়েক পর খোলা হয় তালা।এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষক মুচলেকা দেন আর কখনো দেরী করে আসবেন না।এই ঘটনায় চরম ক্ষুব্ধ অবিভাবকেরা।বিদ্যালয়ের এক ছাত্রের অবিভাবক প্রভাস চৌধুরী জানান,এই ঘটনা আজকের নয়।দীর্ঘ দিন ধরে হয়ে আসছে।বছর খানেক আগেও একই ভাবে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল অবিভাবকেরা।সেইসময়ও শিক্ষক মশাই কথা দিয়েছিলেন কোন সমস্যা হবে না।তাছাড়া বিদ্যালয়ের ভেতরে গাছ,আবর্জনায় ভর্তি।সাপের উপদ্রব হওয়ার সম্ভবনা।এসমস্ত জেনেও প্রধান শিক্ষকের কোন হুশনেই।আমরা চাই এই শিক্ষক বহু বছর আছে।ছাত্রথেকে স্কুলের কোন উন্নতি ঘটেনি।অবিভাবকেরা চায় অন্যত্র বদলি।বিদ্যালয়ের পরিবেশ ফিরে আসুক।তবে এই বিষয়ে পুলশিটা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অমিতা জানা জানান,এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।এর আগেও বেশকয়েকবার গন্ডগোল হয়েছিল।সেই সময় আমরাই অবিভাবকদের শান্ত কটি কোন সমস্যা আর হবেনা বলে।তবু বারেবারে একই অভিযোগ।প্রায় ঘন্টাদেড়েক স্কুলের মধ্যে তালা বান্দি রাখে গ্রামবাসীরা।এবারো পুলিশের কাছে মিচলেকা দিয়েছেন।আশাকরবো এবার বিদ্যালয়ের পরিবেশ ফিরে আসবে।তবে এদিন প্রধান শিক্ষক বিনয় বাবু জানান,ঘরে বিশেষ কাজের জন্য গিয়েছিলেন।এরপর থেকে ১১ টার মধ্যেই ক্লাস শুরু হবে।আর সমস্যা হবেনা বলে পুলিশের সামনেই জানান প্রধান শিক্ষক।এদিন ক্ষিপ্ত অবিভাবকেরা পুলিশের উপস্থিতিতে স্কুল ও জঙ্গল পরিস্কারে হাত লাগান।

No comments:
Post a Comment