চাঁদনী, পূর্ব মেদিনীপুর: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি থানার শুনিয়া গ্রামে একাদশের শ্রেণির ছাত্র এক নাবালককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুনের অভিযোগকে ঘিরে উত্তাল হল কাঁথি দেশপ্রাণ ব্লকের সুনিয়া। ত্রিকোণ প্রেমের জেরে এই ঘটনা বলে দাবি স্থানীয়দের। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ আটক করেছে তিন যুবককে।তবে পলাতক মূল দুই অভিযুক্ত। মৃতের নাম প্রদীপ মাইতি(১৭)। সুনিয়াতে বাড়ি। স্থানীয় ঘোড়াঘাটা হাইস্কুলের একাদশ শ্রেনির ছাত্র সে। সম্প্রতি বাহার ছনবেরিয়ার বাসিন্দা ঘোড়া ঘাটা স্কুলের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রায় কথা বলতো প্রদীপ।কিন্তু ওই ছাত্রী তাকে পাত্তা দিত না। এই ঘটনা কানে উঠেছিল ছাত্রীর বাবা দেবু জানা ও তার প্রেমিক বিশ্বজিৎ গিরির। প্রদীপকে সাবধান ও করা হয়েছিল।কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। যার কারণে সোমবার সন্ধেয় দেবু জানার নির্দেশে প্রদীপকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় বিশ্বজিৎ।স্থানীয় একটি ফিসারিতে নিয়ে আটকে রাখা হয়।এরপর প্রদীপের বাবা নাড়ুগোপালকে একইভাবে ওই ফিসারিতে তুলে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। সেখানে বাপ-এর সামনে ছেলেকে ব্যপক মারধর করে আর শাসায় অভিযুক্তরা। পরে বাবাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও আটকে রাখা হয় প্রদীপকে। তারপর আর রাতে ফেরেনি প্রদীপ।সকালে সুনিয়া ঘাটের কাছে উদ্ধার হয় তার ঝুলন্ত দেহ ।পরিবারের দাবি, খুন করা হয়েছে প্রদীপকে।
চাঁদনী, পূর্ব মেদিনীপুর: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি থানার শুনিয়া গ্রামে একাদশের শ্রেণির ছাত্র এক নাবালককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুনের অভিযোগকে ঘিরে উত্তাল হল কাঁথি দেশপ্রাণ ব্লকের সুনিয়া। ত্রিকোণ প্রেমের জেরে এই ঘটনা বলে দাবি স্থানীয়দের। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ আটক করেছে তিন যুবককে।তবে পলাতক মূল দুই অভিযুক্ত। মৃতের নাম প্রদীপ মাইতি(১৭)। সুনিয়াতে বাড়ি। স্থানীয় ঘোড়াঘাটা হাইস্কুলের একাদশ শ্রেনির ছাত্র সে। সম্প্রতি বাহার ছনবেরিয়ার বাসিন্দা ঘোড়া ঘাটা স্কুলের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রায় কথা বলতো প্রদীপ।কিন্তু ওই ছাত্রী তাকে পাত্তা দিত না। এই ঘটনা কানে উঠেছিল ছাত্রীর বাবা দেবু জানা ও তার প্রেমিক বিশ্বজিৎ গিরির। প্রদীপকে সাবধান ও করা হয়েছিল।কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। যার কারণে সোমবার সন্ধেয় দেবু জানার নির্দেশে প্রদীপকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় বিশ্বজিৎ।স্থানীয় একটি ফিসারিতে নিয়ে আটকে রাখা হয়।এরপর প্রদীপের বাবা নাড়ুগোপালকে একইভাবে ওই ফিসারিতে তুলে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। সেখানে বাপ-এর সামনে ছেলেকে ব্যপক মারধর করে আর শাসায় অভিযুক্তরা। পরে বাবাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও আটকে রাখা হয় প্রদীপকে। তারপর আর রাতে ফেরেনি প্রদীপ।সকালে সুনিয়া ঘাটের কাছে উদ্ধার হয় তার ঝুলন্ত দেহ ।পরিবারের দাবি, খুন করা হয়েছে প্রদীপকে।

No comments:
Post a Comment