পুনর্জন্মে বিশ্বাস করেন? অনেকেই হয়তো করেন আবার অনেকেই করেন না। এই বিষয়টি নিয়ে আছে নানান তর্ক বিতর্ক। কিন্তু এবার যেই ঘটনাটি জানতে পারবেন তা হয়তো আপনাকে দ্বিতীয়বার ভাবিয়ে তুলবে বিষয়টি নিয়ে।
ইসরাইল ও সিরিয়ার বর্ডারের কাছে গোলান হাইটস এলাকায় ঘটেছে একটি অবিশ্বাস্য ঘটনা। তিন বছর বয়সী একটি শিশু জানিয়েছে তার আগের জীবনের খুনের ঘটনার কথা ও মৃতদেহের অবস্থান। অবাক হচ্ছেন? তাহলে জেনে নিন ঘটনাটি।
অন্যদের মতই সাধারন একটি শিশু সে। প্রতিদিন হাসি, খেলাতে মেতে ওঠে বড় ভাইবোনদের সাথে। হঠাৎ করেই একদিন ছেলেটির মনে হলো তার আগেও একবার জন্ম হয়েছিলো এবং সেই জীবনে তাকে একটি কুঠার দিয়ে খুন করা হয়েছিলো নৃশংস ভাবে। শুধু তাই নয়, তার মৃতদেহটিও লুকিয়ে রাখা হয়েছিলো। তার আগের জীবনের অস্তিত্বটি হারিয়ে গিয়েছিলো এভাবেই। বিষয়টি সে তার পরিবারকে জানালো। এমন কি তার মৃতদেহটি কোথায় গুম করে রাখা হয়েছিলো সেই তথ্যও পরিবারকে জানালো শিশুটি। পরিবারটি প্রথমে বিশ্বাস করতে চায়নি পুরো ব্যাপারটি। হেসেই উড়িয়ে দিয়েছিলো মিথ্যে ভেবে। কিন্তু ছেলেটির ক্রমাগত চাপ ও আত্মবিশ্বাসের কারণে পরিবারটি একসময়ে বিষয়টি ভেবে দেখে এবং সেই গ্রামে যায় যেখানে ছেলেটির ভাষ্যমতে তার আগের জীবনের মৃতদেহটি লুকোনো আছে।
জায়গা মত মাটি খুড়ে দেখা গেলো সেখানে সত্যিই একটি মৃতদেহ মাটি চাপা দেয়া আছে। এবং আশ্চর্য বিষয় হলো যেই কুঠারটি দিয়ে খুন করা হয়েছে সেটাও আছে মৃতদেহের সাথেই। ছেলেটি খুনির পুরো নামটাও মনে রেখেছিলো এবং জানিয়েছিলো তার পরিবারকে।
সেই এলাকায় লোকটি সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় যে লোকটি প্রায় ৪ বছর ধরে নিখোঁজ। তার পরিবার পরিজনরা ভেবেছিলো সে হয়তো দূরে কোথাও আছে কিংবা হারিয়ে গেছে।
সবচাইতে আশ্চর্য বিষয় হলো মৃতদেহের মাথার যেই স্থানে কুঠারের আঘাতে মৃত্যু হয়েছিলো ঠিক সেই স্থানেই শিশুটির মাথায় একটি জন্মদাগ আছে। ছেলেটির বলা নাম অনুসারে পুলিশ খুনিকে খুঁজে বের করেছে এবং সকল তথ্য ও প্রমান মিলিয়ে দেখেছে। খুনি তার কৃতকর্মের কথা স্বীকার করেছে পুলিশের কাছে।

No comments:
Post a Comment