খেলার ৬৬ মিনিটে এমিল ফরসবার্গের গোলে এগিয়ে গেল সুইডেন। তার ডান পায়ে নেয়া জোরালো শট, থামাতে গিয়ে আত্মঘাতী গোল খেয়ে বসে সুইজারল্যান্ড।
মঙ্গলবার ম্যাচের শুরুতেই গোল দেওয়ার সুযোগ পায় সুইডেন। এবারের বিশ্বকাপে কাউন্টার অ্যাটাকের দারুণ প্রয়োগ দেখা গেছে। সুইডেনও কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর খেলেছে গ্রুপ পর্বে। শেষ ষোলোয়ও তা থেকে গোল পেয়ে যাচ্ছিল স্ক্যান্ডিনেভিয়ান জায়ান্ট কিলাররা। সাত মিনিটে আবার আক্রমণ করে সুইডেন। তার পরের মিনিটে আর সুযোগ বলা চলে না। গোল মিস করেছে সুইডেন। ২৪ মিনিটে সুইসদের আক্রমণে গোল খেতে বসেছিল সুইডেন।একটা জয় বহুদিনের লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে। আর সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতেই মাঠের লড়াইয়ে মুখোমুখি সুইজারল্যান্ড-সুইডেন।
২৮ মিনিটে আবার গোলের সুযোগ পায় সুইজারল্যান্ড। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি সে সুযোগ। ৩৪ মিনিটে গোল মিস করে জাকা মাথায় হাত তুলেছেন। ৩৮ মিনিটে প্রথমার্ধের সেরা সুযোগটি পায় সুইডেন। পায়ের টাস দিয়ে গোল করতে চেয়েছিলেন সুইডেন ফুটবলার। কিন্তু হেড দিলে হয়তো গোল পেয়ে যেতেন তিনি। প্রথমার্ধে কোন গোল করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত গোল শূন্য সমতা নিয়ে শেষ করেছে দু'দল।

No comments:
Post a Comment