পৃথিবীর দুর্ধর্ষতম জলদস্যু নর্স ভাইকিং গোষ্ঠীর বিশ্বাস অনুযায়ী ২০১৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি দিনটিই নাকি ছিলো পৃথিবীর শেষ দিন। অর্থাৎ শস্য শ্যামলা ধরণীতে নাকি শনিবারই নেমে আসার কথা ছিলো মহাপ্রলয়ের ধ্বংসযজ্ঞ। যদিও সকল বিতর্ক, ধারণা আর গুঞ্জনকে অতিক্রম করে শস্য শ্যামলা পৃথিবী এবারও টিকে আছে আপন মহিমায়।
জর্ভিক ভাইকিং সেন্টারের ভবিষ্যৎবক্তাগণ ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, লন্ডনে অনুষ্ঠিত হওয়া ৩০ তম জর্ভিক ভাইকিং উত্সব শেষের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীর দিন শেষের পতন ঘটবে। এই দলের মতে, ধ্বংসের সূচনার সঙ্গে সঙ্গে একটি প্রাচীন শিঙার শব্দ শোনা যাবে। গত বছর ১৫ নভেম্বর নেভিগেশন ইয়র্ক জুড়ে এই শব্দ শোনা গিয়েছিল বলে দাবি করেছে জর্ভিক ভাইকিং সেন্টার।
জর্ভিক ভাইকিং সেন্টারের ভবিষ্যৎবক্তাগণ ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, লন্ডনে অনুষ্ঠিত হওয়া ৩০ তম জর্ভিক ভাইকিং উত্সব শেষের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীর দিন শেষের পতন ঘটবে। এই দলের মতে, ধ্বংসের সূচনার সঙ্গে সঙ্গে একটি প্রাচীন শিঙার শব্দ শোনা যাবে। গত বছর ১৫ নভেম্বর নেভিগেশন ইয়র্ক জুড়ে এই শব্দ শোনা গিয়েছিল বলে দাবি করেছে জর্ভিক ভাইকিং সেন্টার।
নর্স পুরানে বলা আছে, ২০১৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ধরণী দ্বিধা হয়ে যাবে ও জগতের সমস্ত বাসিন্দা সেই অতলান্তের মধ্যে তলিয়ে যাবে l আসবে মহা প্রলয়, পৃথিবী নিমজ্জিত হবে সমুদ্রে। তবে কিংবদন্তিতে শুধু ধ্বংসের নয়, বিশ্ব নতুনভাবে সৃষ্টির ও উত্থানের কথাও বলে হয়েছে । সেখানে দুটি মানুষের পৃথিবীতে বেঁচে থাকার উল্লেখ রয়েছে।

No comments:
Post a Comment