নারীর যৌনাঙ্গহানি বর্তমান যুগেও একটি বড় ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক দেশেই এই প্রথাটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অংশ এবং আফ্রিকার কিছু কিছু জাতির মধ্যে এই প্রথাটি এখনও রয়েছে।
বিছানায় মহিলাদের চরম উত্তেজনা নিয়ে যখন সারাবিশ্বে কথা হয় তখন খৎনা করার কারণে মিশরের অধিকাংশ নারীর জন্য এটা ভাবাটাও প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। মিশরের নারীদের বাহ্যিক যৌন আবরণ কেটে ফেলার কারণে তারা চরম যৌন উত্তেজনায় পৌঁছাতে অসক্ষম।
নারীরা বিছানায় কতটা সুখী বা অসুখী, অথবা নারীদের অর্গাজমের গুরুত্ব নিয়ে যখন এই একবিংশ শতাব্দীতে সারাবিশ্বে আলোচনা হয় তখন মিশরে বেশিরভাগ নারীরাই এই খৎনার (এফজিএম) শিকার হয়। নারীদের বাহ্যিক জননেন্দ্রিয় অপসারণের প্রক্রিয়াটি নারীদের যৌন প্রক্রিয়ায় বিলম্ব ঘটায় যা তাদেরকে চরম উত্তেজিত হতে অক্ষম করে রাখে।
দেশটির ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ জানায় যে, উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ নারী যৌনতৃপ্তি থেকে বঞ্চিত। এই প্রথাগুলো নারীদের বিরুদ্ধে চরম বৈষম্য হিসেবে দেখা হয় এবং যার মূলে রয়েছে লিঙ্গ বৈষম্য।
মিশরের সরকার প্রথাটির বিরুদ্ধে অগ্রগতি অর্জন করেছে। এ ব্যাপারে সেখানে একটি আইন পাস করা হয়েছে। আইনটিতে বলা হয়, যারা এই কাজটি করাতে কাউকে বাধ্য বা উৎসাহ প্রদান করবে তাদের সাত বছর পর্যন্ত কারাদন্ড প্রদান করা হবে।
এতসব কিছুর পরও খৎনা করার চর্চা মানুষ করেই যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর ত্রিশ লক্ষ মেয়ে শিশুর খৎনা করা হয় যা নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
বিছানায় মহিলাদের চরম উত্তেজনা নিয়ে যখন সারাবিশ্বে কথা হয় তখন খৎনা করার কারণে মিশরের অধিকাংশ নারীর জন্য এটা ভাবাটাও প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। মিশরের নারীদের বাহ্যিক যৌন আবরণ কেটে ফেলার কারণে তারা চরম যৌন উত্তেজনায় পৌঁছাতে অসক্ষম।
নারীরা বিছানায় কতটা সুখী বা অসুখী, অথবা নারীদের অর্গাজমের গুরুত্ব নিয়ে যখন এই একবিংশ শতাব্দীতে সারাবিশ্বে আলোচনা হয় তখন মিশরে বেশিরভাগ নারীরাই এই খৎনার (এফজিএম) শিকার হয়। নারীদের বাহ্যিক জননেন্দ্রিয় অপসারণের প্রক্রিয়াটি নারীদের যৌন প্রক্রিয়ায় বিলম্ব ঘটায় যা তাদেরকে চরম উত্তেজিত হতে অক্ষম করে রাখে।
দেশটির ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ জানায় যে, উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ নারী যৌনতৃপ্তি থেকে বঞ্চিত। এই প্রথাগুলো নারীদের বিরুদ্ধে চরম বৈষম্য হিসেবে দেখা হয় এবং যার মূলে রয়েছে লিঙ্গ বৈষম্য।
মিশরের সরকার প্রথাটির বিরুদ্ধে অগ্রগতি অর্জন করেছে। এ ব্যাপারে সেখানে একটি আইন পাস করা হয়েছে। আইনটিতে বলা হয়, যারা এই কাজটি করাতে কাউকে বাধ্য বা উৎসাহ প্রদান করবে তাদের সাত বছর পর্যন্ত কারাদন্ড প্রদান করা হবে।
এতসব কিছুর পরও খৎনা করার চর্চা মানুষ করেই যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর ত্রিশ লক্ষ মেয়ে শিশুর খৎনা করা হয় যা নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
No comments:
Post a Comment