শিশুর সাক্ষাৎ পেতে ৪০০ কিমি পাড়ি বানর দলের - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 15 July 2018

শিশুর সাক্ষাৎ পেতে ৪০০ কিমি পাড়ি বানর দলের

শিশুর সাক্ষাৎ পেতে ৪০০ কিমি পাড়ি বানর দলের
বনের পশুপাখিদের সঙ্গে বেড়ে ওঠা মুগলিকে দেখেছি আমরা সিনেমায়। এবার বাস্তবেও দেখা মিলল এমনই এক মুগলির।
 নাম তার সামার্ত বানগারি। দুবছর বয়সী শিশুটির বাড়ি ভারতের কর্নাটক রাজ্যের ধরওয়াদ জেলার একটি গ্রামে।

প্রায় ২০টি বানরের একটি দলের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে রীতিমতো ‘কিংবদন্তি’ বনে গেছে শিশু সামার্ত।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, সামার্ত এখনও ভালোভাবে কথাই বলতে পারে না। একদিন গ্রামবাসী দেখতে পায় শিশুটি একদল বানরের সঙ্গে খেলা করছে। প্রথমে তারা ভয় পেয়েছিলেন। না জানি বানরগুলো শিশুটিকে আক্রমণ করে বসে। কিন্তু একটু পরেই ভুল ভাঙে তাদের।

শিশুটির চাচা বারামা রেড্ডি বলেন, শিশুটির সঙ্গে বানরের এই অস্বাভাবিক সম্পর্ক দেখে প্রথমে খুবই আশ্চর্য হয়েছিলাম। পরে দেখি তার উপস্থিতি বানর দল ভালোভাবেই উপভোগ করছে। শুধু তাই নয়, বানরগুলোকে খাবার ভাগ করে খাওয়াচ্ছে ছোট্ট শিশুটি।

তিনি আরও বলেন, সামার্তের সঙ্গে সম্পর্ক হওয়ার পর থেকেই নিয়মিত বানরগুলো আলাপুর গ্রামে আসা শুরু করে। ব্যাঙ্গালুরু থেকে ৪০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বানরগুলো তার সঙ্গে দেখা করতে আসে।

সামার্তের চাচা জানান, প্রতিদিন ল্যাঙ্গুর প্রজাতির কমপক্ষে ২০টি বানর তাদের গ্রামে আসে। এর পর তারা শিশু সামার্তের সঙ্গে এক থেকে দুই ঘণ্টা সময় কাটিয়ে আবার ডেরায় ফিরে যায়।

তিনি বলেন, কোনো দিন এসে যদি বানরগুলো দেখতে বানগারি ঘুমিয়ে আছে। তখন তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলত তারা।

‘বানরগুলো সত্যিই শিশুটির সঙ্গ খুব পছন্দ করে। তার পাশে অন্য কাউকে দেখলে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বানরের দল, বলেন বারামা রেড্ডি।
 

বানরের সঙ্গে ‘বিশেষ সম্পর্ক’ স্থাপনের কারণে সামার্ত এখন এলাকায় ‘কিংবদন্তি’ হিসেবে খ্যাতি পেয়েছে উল্লেখ করে বারামা রেড্ডি বলেন, এলাকার মানুষ ভাবছে- সে একটি ‘বিশেষ শিশু’।

বানরের দল তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। তারা একে অপরের কথা বুঝতে পারে বলেও দাবি করেন চাচা বারামা রেড্ডি। সূত্র: এএফপি।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad