জামুড়িয়া যাওয়া রাস্তায় যাতায়াত করা নিত্যযাত্রীদের মুখে । ব্যাঙ্গ করে এই রাস্তাটিকে অনেকেই আবার মাখন রাস্তা বলে নামকরণ করেছে। এই সমস্থ মন্তব্য ভাইরাল হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়াতেও। তবু হুশ নেই প্রশাসনের। বার বার বিক্ষোভ অভিযোগ করেও কোন রকম রাস্তা মেরামতের উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষোভ স্থানীয়দের। স্থানীয়দের দাবি এই রাস্তা মেরামত আর দেখতে পাব না, তার আগেই দূর্ঘটনায় মারা যাব।
রাস্তা সংস্কারের দাবিতে স্থানীয়রা বেশ কয়েকবার পথ অবরোধ করে ,রাস্তার মধ্যে খিচুড়ি রান্না করে খেয়ে, বিভিন্ন পরিবহন ব্যবস্থা আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। তাতেও প্রশাসনের নজর কাড়তে ব্যর্থ হয়েছে এখন কি করনীয় সেটাই ঠিক করে উঠতে পারছে না স্থানীয়রা তবে যেকোনো মুহূর্তে খারাপ সংবাদ যে আসতে পারে সে কথা তাদের পরিবারের সদস্যদের কে বলে বেরোতে হচ্ছে স্থানীয়দের ।চাকদোলা মোড় থেকে জামুরিয়া পর্যন্ত মোট 7 কিলোমিটার রাস্তার অবস্থা এমনই যে পায়ে হেটে যাওয়াটাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন মিনিবাস এবং ট্রেকারের সংখ্যা কমলে।আজ থেকে আসানসোল কাল্লা দোমাহানী রুটের বাস অন্য দিকে জামুড়িয়া হরিপুর রুটের বাস মোট 32 টি মিনিবাস অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাস বন্ধ করে দিল মিনিবাসের চালক খালাসীরা।তাদের অভিযোগ রাস্তা খারাপের ফলে পথ দুর্ঘটনা প্রবনতা বাড়ছে। তেমনই গাড়ীর যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে । এই সমস্ত কিছুই কিন্তু সাধারণ মানুষকে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।
এই রাস্তার উপর রয়েছে বিডিও অফিস সহ প্রশাসনের সমস্ত দপ্তর, রয়েছে ৫ টি উচ্চ বিদ্যালয়, ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র ফলে এ রাস্তার উপর নির্ভরতা প্রত্যেকের।তাই ইচ্ছা না থাকলেও বাধ্য হয়ে এ রাস্তার উপর যাতায়াত করতে হয় এটাই জামুড়িয়া বাজার যাওয়ার মূল রাজ্য সড়ক।
এই রাস্তার উপর রয়েছে প্রায় ত্রিশটির উপর বিভিন্ন ভারী শিল্প ।প্রতি দিন কয়েক হাজার পণ্যবাহী গাড়ি রাস্তার উপর দিয়ে যাতায়াত করে।ছোটবড়
দুর্ঘটনা ঘটছে প্রতিদিন।
এই বিষয় নিয়ে জামুরিয়া সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অনুপম চক্রবর্তী জানান খুব শীঘ্রই রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু হবে। বরাত প্রাপ্ত সংস্থা ইতিমধ্যে চাকদোলা মোড়ের কাছে তাদের যাবতীয় সরঞ্জাম মজুত করছে।

No comments:
Post a Comment