ভরা এজলাসের পাশে যৌনকর্ম করতে গিয়ে অবশেষে ধরা খেলেন আদালতেরই বেপরোয়া দুই কর্মচারী। ইতালির একটি আদালত কক্ষে বিচারক যখন বিচার কাজে ব্যস্ত ছিলেন তখন অদ্ভুত একটি শব্দ তাঁর কানে আসে।
বিচারক কাচ ঘেরা পাশের কক্ষে তাকাতেই বিষয়টি তাঁর নজরে আসে। ততক্ষণে এজলাসের অনেকেরই বিষয়টি বুঝে ফেলেন ।এ পর্যায়ে বিচারক বিব্রত হয়ে আদালতের কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ করে দেন।পরে ঐ দুই কর্মচারীকে আটক করা হলেও তাদের পরিচয় জানা যায় নি।
আজ মঙ্গলবার ‘দ্য ইনডিপেনডেন্ট’ পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইতালির জেনোয়ার একটি আদালতে এ অনভিপ্রেত ঘটনাটি ঘটে। আদালতের দুজন কর্মচারী ওই যৌনকর্মে লিপ্ত হয়েছিলেন।
আদালত সূত্র জানিয়েছে, গত বছর ইতালির একটি শহরে এক গৃহহীন ব্যক্তি খুন হন। ওই খুনের অভিযোগে জেনোয়ার সংশ্লিষ্ট আদালতে ইয়াসিন মাহমুদ নামের এক আসামির বিচারকাজ চলছিল। ঘটনার দিন কৌঁসুলি মামলার সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করছিলেন, এমন সময় বিচারক অদ্ভুত শব্দ শুনতে পান। এজলাসের পাশে থাকা কক্ষের দিকে তাকান তিনি।
কালো কাঁচ ভেতর দিয়ে কক্ষের মধ্যে দুজন নগ্ন মানুষের আবছা কায়া দেখতে পান তিনি। ততক্ষণে আদালতে উপস্থিত অন্যদের দৃষ্টিও চলে যায় ওই কক্ষের দিকে। সেখানে যৌনকর্ম চলার বিষয়টি সবার কাছে স্পষ্ট হয়। এরপর বিচারক মামলাটির শুনানি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেন। পরে ওই কক্ষ থেকে আদালতের দুই কর্মচারীকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের নাম জানানো হয়নি।
আদালত সূত্র জানায়, ওই দুজন কর্মচারী ভেবেছিলেন, কালো গ্লাসের কারণে বাইরে থেকে তাঁদের দেখা যাবে না। কিন্তু বাস্তবে বাইরে থেকে সবই দেখা যাচ্ছিল।
এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে আদালতের একজন মুখপাত্র জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

No comments:
Post a Comment