সুন্দরবনের জলে জঙ্গলের মধ্যে সুবিশাল প্রাচীণ মন্দির আনুমানিক খ্রীষ্টীয একাদশ শতকে ইষট্ক নির্মিত এই দেব দেউল টি জটাধারী শিবের নামানুসারে জটার দেউল সমধিক পরিচিত । পঞরথ ভিত্তির এক শিখর বিশিষ্ট এই মন্দিরটি উত্তর ভারতের অনেক দেব দেউলেরই অনুরূপ। দক্ষিণ 24 পরগনা রায়দিঘী নদী পেরিয়ে কানকানদিঘী থেকে আরো ১০ কিমি ভিতরে ঘন জঙ্গলে ঘেরা পশ্চিম জটা গ্রামে এই পৌরাণিক মন্দিরটি নিদর্শন পাওয়া যায়। সম্ভবতঃ মন্দির টি সেন বংশের রাজত্বকালে মন্দির টি বানানো হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন তারা বাবা- ঠাকুরদাদের কাছে শুনেছেন এই মন্দিরটি 900 থেকে 1000 বছরের পুরানো। আজ থেকে বেশ কয়েক বছর আগে এই জটা দেউলের মন্দির ঘন জঙ্গল ছিল সেই জঙ্গলে বাঘ, হরিণ ও হিংস্র জন্তু জানোয়ারের বসবাস ছিল।স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী এই পশ্চিম জটা গ্রামে জঙ্গল কেটে মন্দির টি সংরক্ষণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত মন্দির টি তেমন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় নি। মন্দিরের চারপাশে ৩০ শতক জায়গা জুড়ে ঘিরে রাখা আছে। Archeological survey of India সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মন্দিরের চারপাশে ৩০ শতক এর মধ্যে কোনো খনন কার্য করা যাবে না সেই মতো কোনো খনন কার্য করা হয়নি। এই জটা দেউল মন্দিরের দেখভালের জন্য এক কর্মচারী কে নিয়োগ করেছে Archeological survey। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের আগমন হয়। বিশেষ করে ডিসেম্বর, জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারি মাসে ব্যপক দর্শনার্থীর পাশাপাশি পিকনিক পার্টি দের সমাগম হয়। এই মন্দির কে উপলক্ষ্যে বৈশাখ মাসের শুরুতে বড়ো মেলার আয়োজন হয়। দর্শনার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী অন্যান্য রাজ্য ও জেলার চেয়ে কম গুরুত্ব নয় এই মন্দির। দর্শনার্থীদের মত অনুযায়ী আমরা গর্ববোধ করি আমাদের ঘরের কাছে এত ভাল মন্দির থাকতে আমরা সরকার কে অনুরোধ করব যাতে এটা ঠিক ঠাক ভাবে সংরক্ষণ করে রাখতে।
সুন্দরবনের জলে জঙ্গলের মধ্যে সুবিশাল প্রাচীণ মন্দির আনুমানিক খ্রীষ্টীয একাদশ শতকে ইষট্ক নির্মিত এই দেব দেউল টি জটাধারী শিবের নামানুসারে জটার দেউল সমধিক পরিচিত । পঞরথ ভিত্তির এক শিখর বিশিষ্ট এই মন্দিরটি উত্তর ভারতের অনেক দেব দেউলেরই অনুরূপ। দক্ষিণ 24 পরগনা রায়দিঘী নদী পেরিয়ে কানকানদিঘী থেকে আরো ১০ কিমি ভিতরে ঘন জঙ্গলে ঘেরা পশ্চিম জটা গ্রামে এই পৌরাণিক মন্দিরটি নিদর্শন পাওয়া যায়। সম্ভবতঃ মন্দির টি সেন বংশের রাজত্বকালে মন্দির টি বানানো হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন তারা বাবা- ঠাকুরদাদের কাছে শুনেছেন এই মন্দিরটি 900 থেকে 1000 বছরের পুরানো। আজ থেকে বেশ কয়েক বছর আগে এই জটা দেউলের মন্দির ঘন জঙ্গল ছিল সেই জঙ্গলে বাঘ, হরিণ ও হিংস্র জন্তু জানোয়ারের বসবাস ছিল।স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী এই পশ্চিম জটা গ্রামে জঙ্গল কেটে মন্দির টি সংরক্ষণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত মন্দির টি তেমন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় নি। মন্দিরের চারপাশে ৩০ শতক জায়গা জুড়ে ঘিরে রাখা আছে। Archeological survey of India সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মন্দিরের চারপাশে ৩০ শতক এর মধ্যে কোনো খনন কার্য করা যাবে না সেই মতো কোনো খনন কার্য করা হয়নি। এই জটা দেউল মন্দিরের দেখভালের জন্য এক কর্মচারী কে নিয়োগ করেছে Archeological survey। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের আগমন হয়। বিশেষ করে ডিসেম্বর, জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারি মাসে ব্যপক দর্শনার্থীর পাশাপাশি পিকনিক পার্টি দের সমাগম হয়। এই মন্দির কে উপলক্ষ্যে বৈশাখ মাসের শুরুতে বড়ো মেলার আয়োজন হয়। দর্শনার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী অন্যান্য রাজ্য ও জেলার চেয়ে কম গুরুত্ব নয় এই মন্দির। দর্শনার্থীদের মত অনুযায়ী আমরা গর্ববোধ করি আমাদের ঘরের কাছে এত ভাল মন্দির থাকতে আমরা সরকার কে অনুরোধ করব যাতে এটা ঠিক ঠাক ভাবে সংরক্ষণ করে রাখতে।

No comments:
Post a Comment