ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার টিনো বেস্ট বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৬৫০ জন নারীকে নিজের শয্যাসঙ্গী বানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন! সবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলেও দাবি করলেন তিনি। এমন কী ৩৪ বছর বয়সী এ ক্রিকেটার নিজেকে দেহব্যবসায়ীর সঙ্গে তুলনা করলেন। ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটারদের মাঠের বাইরের রঙিন জীবন নিয়ে নানা কথা শোনা যায়। রঙিন চরিত্রের ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটাররা মাঝেমাঝেই খবরে আসেন পার্টি, মদ, নারীসঙ্গ নিয়ে। কিন্তু এবার টিনো বেস্ট নিজের সম্পর্কে দিলেন আরও বিস্ফোরক তথ্য দিলেন তার আত্মজীবনী ‘মাইন্ড দ্য উইন্ডোজ: মাই স্টোরি’তে। ২০০৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় তার।
দেশের হয়ে ২৫ টেস্টে ৫৭, ২৬ ওয়ানডেতে ৩৭ ও ৬ টি-টোয়েন্টিতে নেন ৬ উইকেট। একটা সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেকে দ্রুততম বোলার হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। নিজেকে দেহব্যবসায়ীর সঙ্গে তুলনা সেই তার আত্মজীবনীতে লিখেছেন, ‘আমি মেয়েদের ভালোবাসি। মেয়েরাও আমায় পছন্দ করে। ওরা আমায় বলে আমি নাকি দুনিয়ার ন্যাড়া মাথার যে কোনও পুরুষের চেয়ে সুন্দর। কেউ কেউ আমায় বলে কালো ব্র্যাড পিট।’
তিনি আরও বলেন, ‘ক্রিকেট কিংবা অন্য যে কোনো কাজে পৃথিবীর যেখানেই গিয়েছি মেয়েদের সঙ্গে ডেট করেছি। এরপর পার্টি ও সেক্স। বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫০০ থেকে ৬৫০ নারীকে আমার শয্যাসঙ্গী বানিয়েছি।’ সবচেয়ে বেশি নারীসঙ্গী বানিয়েছেন বার্বাডোজে।
নারী পটানোর কৌশল নিয়ে টিনো বলেন, ‘কোনো নারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হলেই তার দিকে হাত বাড়িয়ে বলি, ‘হ্যালো, আমি টিনো, তুমি? এরপর তারসঙ্গে নানা কথা বলি। এক পর্যায়ে তাকে বিছানায় নিয়ে যাই। তারা মুগ্ধ হয়েই আমার বিছানায় যেতে রাজি হয়ে যায়।’ টিনোর দাবি, তিনি এমনটা ছিলেন না। তাঁর প্রথম ভালোবাসা মেলিশার সঙ্গে তাঁর একটা মিষ্টি মেয়ে হয়েছিল। ওর নাম রেখেছিলেন তামানি। কিন্তু সেই সম্পর্কে চিড় ধরার পরই নিজের জীবনযাত্রা পাল্টে যায় তার। মেলিশা তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার পরই বেস্ট নিজেকে দেহব্যবসায়ীর পর্যায়ে নামিয়ে আনেন বলে জানালেন তিনি। টিনো বেস্ট ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সর্বশেষ টেস্ট ২০১৩ সালের ডিসেম্বর, ওয়ানডে ২০১৪ সালের জানুয়ারি ও টি-টোয়েন্টি খেলেন ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে খেলেন।

No comments:
Post a Comment