রবিবার রাতে প্রয়াত হয়েছেন ব্যবসায়ী রঞ্জন নন্দা। সম্পর্কে তিনি শ্বেতা বচ্চন নন্দার শ্বশুর। রঞ্জনের প্রয়াণের খবরে বুলগেরিয়া থেকে শুটিং বাতিল করে তড়িঘড়ি ভারতে ফিরে এসেছিলেন অমিতাভ।
মঙ্গলবার (০৭ আগস্ট) রঞ্জনের শোকসভায় উপস্থিত ছিলেন বচ্চন পরিবারের সকলেই। সেখানেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হল যাতে ট্রোলড হতে হল অভিষেক বচ্চনকে।
সেদিন দিল্লিতে রঞ্জনের শোকসভার আয়োজন করা হয়। অমিতাভ, জয়া, অভিষেক, ঐশ্বরিয়া, রঞ্জনের পুত্র নিখিল নন্দা, পুত্রবধূ শ্বেতা ছাড়াও বলি মহলের একাধিক তারকা উপস্থিত ছিলেন। সেই অনুষ্ঠানেই অভিষেকের একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। যেখানে হাসতে দেখা গিয়েছে অভিনেতাকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি ছড়িয়ে পড়তেই ট্রোলড হতে হয় তাকে।
কেউ লিখেছেন, ‘এটা কি কোনও পার্টি না শোকসভা?’, দেখে তো মনে হচ্ছে হাইস্কুলের রিইউনিয়ন।’
যদিও এই ট্রোলিংয়ের জবাবে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি অভিষেক।
রঞ্জন ছিলেন রাজ কাপুরের জামাই। ঋষি কাপুরের বোন ঋতু নন্দার স্বামী। তার প্রয়াণের খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রথম জানিয়েছিলেন ঋষি কাপুরের মেয়ে ঋদ্ধিমা কপূর সাইনি। তার শোকসভায় কাপুর পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু অভিষেকের মতো কাউকেই ট্রোলড হতে হয়নি।
অভিষেকেরও ট্রোলড হওয়া এই প্রথম নয়। কখনও বলা হয়, বাবা অমিতাভ বচ্চন বলেই তিনি নাকি কাজ পেয়ে থাকেন ইন্ডাস্ট্রিতে। কখনও আবার তার থেকে স্ত্রী ঐশ্বরিয়া সাফল্য বেশি, তার জন্যও ট্রোলড হতে হয়েছে। কখনও বা হাতে কোনও কাজ নেই, অথচ কোথা থেকে বিদেশে বেড়াতে যাওয়ার টাকা জোগাড় হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে তাকে।
তবে নিজের জন্য কখনও মুখ খোলেননি তিনি বরং তার মেয়ে আরাধ্যা ট্রোলড হলে সোশ্যাল মিডিয়াকে এক হাত নিতে দেখা গিয়েছে তাকে।
অভিষেক ছাড়াও ট্রোলিংয়ের তালিকায় আরও অনেক বলিউড তারকা রয়েছেন। বিকিনি পরার জন্য দীপিকা পাড়ুকোন, প্রিয়ঙ্কা চোপড়া, সোনম কপূর, ফতিমা সানা শেখের মতো তারকাদের ট্রোলড হতে হয়েছে। কখনও বা গায়ের রং নিয়ে ট্রোলিংয়ের শিকার হয়েছেন তারকারা। কখনও আবার সাফল্যের জন্য ট্রোলড হয়েছেন সুহানা খানের মতো স্টার কিডরা।
বলা হয়েছে, সাফল্য এসেছে নাকি স্টার কিড বলেই। ফলে ট্রোলিং কোনও নতুন ঘটনা নয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের মত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, সে কারণেই কি যে কোনও সময় রূপালি দুনিয়ার মানুষদের টার্গেট করা সঙ্গত?

No comments:
Post a Comment