শরীরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে ওয়াক্সিং-এর কনসেপ্ট বহুদিনের। কিন্তু এখন চলে এসেছে বিকিনি ওয়াক্স। যদিও এই বিকিনি ওয়াক্স বেশ যন্ত্রণাদায়ক। কিন্তু তাও অনেকেই করেন বিকিনি ওয়াক্স। কিন্তু এটা কি শরীরের জন্য সত্যি ভালো? কারণ মেয়েদের শরীরের বিকিনি লাইন অত্যন্ত কোমল, নরম ও স্পর্শকাতর হয়। এমনিতেই ওয়াক্স করতে বেশ যন্ত্রণা পেতে হয়। আর হঠাৎ এই কোমল, স্পর্শকাতর জায়গায় এত যন্ত্রণা দেওয়া কি ঠিক? মানে এই বিকিনি ওয়াক্স কি আদৌ নিরাপদ আপনার জন্য? দেখুন।
১. ইনফেকশন

খুব বেশী ওয়াক্স করলে কিন্তু ইনফেকশনের সমস্যা হতে পারে। বিকিনি লাইনের স্কিন অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়। তাই ওয়াক্সের ফলে যে শুধু স্কিন প্রবলেম হয় তাই নয়, এই ইনফেকশন ভেতরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। মানে মূত্রনালীর সংক্রমণও হতে পারে। তাই বিকিনি লাইনের লোম কিন্তু একদিক থেকে সেই সমস্ত ইনফেকশন, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। অন্য দিকে খুব বেশী ওয়াক্স করলে ওই স্থানে ব্যাকটেরিয়া ভাইরাসের আক্রমণ খুব সহজ হয়ে যায়। আর এই ভাইরাস খুব সহজেই ভেতরে প্রবেশ করে। আর তার ফলেই হয় মূত্রনালীর সংক্রমণ।
২. বার্ন
আগেই বলেছি বিকিনি লাইন অত্যন্ত কোমল ও স্পর্শকাতর হয়। তাই ওই জায়গায় হট ওয়াক্স খুবই ক্ষতিকর হতে পারে। ওয়াক্স খুব গরম হলে, ওই জায়গার স্কিন পুড়েও যেতে পারে। শুধু স্কিন কেন, অতিরিক্ত গরমের কারণে মূত্রনালীও মারাত্মক ভাবে এফেক্টেড হতে পারে। তবে খুব ভালো এক্সপার্ট যারা, তাঁরা সঠিক ভাবেই যদিও করেন। তাঁরা এই উত্তাপের খেয়াল রাখেন, এবং সবদিক ভালো ভাবে খেয়াল করেই করেন। তবে আপনাকেও কিন্তু সতর্ক হয়েই করতে হবে।
৩. স্কিন র্যাশ
অনেক সময় ওয়াক্স করে লোম টেনে তোলার পর স্কিন র্যাশ হতে পারে। এছাড়াও আরও অনেক সমস্যা হতে পারে। যদি ভালো প্রোডাক্ট ব্যবহার করা না হয়, তাহলে স্কিন র্যাশ, চুলকানি হতে পারে, যন্ত্রণা হতে পারে। এছাড়াও মূত্রনালীর ক্ষতি তো হতেই পারে আগেই বললাম।
বিকিনি ওয়াক্স করার সময় কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখুন।
১. লোম যেন বাড়ে
খুব ছোট লোম নিয়ে বিকিনি ওয়াক্স করবেন না। কারণ ছোট লোম তুলতে বেশী কষ্ট হয়। আর যন্ত্রণাও হয়। লোম বড় হলে ওয়াক্স অনেক সহজ হয়। তাই লোম যেন একটু বাড়ে।

No comments:
Post a Comment