নিজস্ব প্রতিনিধি:জমলোক থেকে যমরাজ এসে হাতির আক্রমনে মৃত্যু ব্যাক্তির বিচার করল মর্তে। এরকমই পথ নাটিকার মাধ্যমে বিশ্ব হাতি দিবস পালন করল বন দপ্তর এবং জলপাইগুড়ির একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মিরা।
রবিবার দুপুরে মালবাজার মহকুমার ওদলাবাড়ি, লাটাগুড়ি, চালসা এবং গাজলডোবা বাজারে এই ভাবেই গান এবং পথনাটিকার মাধ্যমে হাতি রক্ষার কথা জানালেন বন দপ্তর এবং সংগঠনের কর্মিরা।
জলপাইগুড়ি সংস্থার ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা এই পথনাটিকার মাধ্যমে সাধারন মানুষকে বোঝান হাতিদের প্রয়োজনিয়তা। কেন এত হাতির মৃত্যু হচ্ছে? কেন চাবাগান বা কৃষিজমিতে গিয়ে বিষক্রিয়ায় বা ইলেক্ট্রিক শর্টে হাতির মৃত্যু হচ্ছে। কেন ট্রেনে কাটা পরে মৃত্যু হচ্ছে হাতির। বন জঙ্গল কেটে কেন মানুষ বসতি স্থাপন করছে?
তাই তো যমলোক থেকে যমরাজ যখন মত্তে এসে হাতির আক্রমনে এক ব্যক্তির সব কিছু জানতে পেলেন। তখন তিনি জানালেন, হাতির আক্রমনে মৃত ব্যাক্তির মৃত্যুর পেছনে হাতিদের কোনও দোষ নেই। কারন এই ব্যাক্তি হাতিদের যাতাযাতের রাস্তায় বসতি স্থাপন করেছিল।
অন্য দিকে এত হাতি দিন দিন বিভিন্ন কারনে মৃত্যু হচ্ছে, তাতে চিন্তিত যমরাজ নিজেই। এরকমইই সুন্দর পথ নাটিকা সাধারন মানুষদের মুগ্ধ করেছে।
বিশ্ব হাতি দিবসে তাদের, সাধারন মানুষের প্রতি এক্টাই অনুরোধ,হাতিদের কেউ বিরক্ত করবেন না। হাতিদের নিজের মত থাকতে দিন। হাতি আমাদের একটা সম্পদ।
জলপাইগুড়ি বন দপ্তরের এক আধিকারিক বিজয় ধর বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য হাতিদের বাচানো। কোন ভাবে যাতে আর হাতির মৃত্যু না ঘটে। তাই রবিরার দিন ডুয়ার্সের বিভিন্ন জায়গায় পথ নাটিকার মাধ্যমে সাধারন মানুষকে সেচেতন করছি। স্কুলের ছেলে মেয়েরা আমাদের সাথে অংশ গ্রহন করেছে। আমাদের আশা আগামিতে আমরা এই পথ নাটিকার মাধ্যমে সাধারন মানুষ সচেতন করতে পারব এবং হাতি মৃত্যু রোধ করব।
পাশাপাশি হাতি দিবস উপলক্ষে ভাওয়াইয়া সঙ্গিতের মাধ্যমেই মানুষকে হাতিদের প্রয়োজনীয়তা সম্বন্ধে বোঝানো হয়। জলপাইগুড়ির স্পোড় নামে এই সংস্থার উৎস মজুমদার, সায়নি দেরা এই পথ নাটিকায় অংশ গ্রহন করেছে।

No comments:
Post a Comment