নিজস্ব প্রতিনিধি, বারুইপুর :'লিঙ্ক' নেই,দীর্ঘ দু’সপ্তাহের বেশী দিন ধরে যার ফলে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা থেকে বঞ্চিত ডাকঘর গ্রাহকরা। সোনারপুর উপ ডাকঘরের ঘটনা। এই ঘটনায় ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছে গ্রাহকদের। তাঁদের বারুইপুর মূখ্য ডাকঘরে যেতে হচ্ছে লেনদেন করতে। ভেঙে পড়েছে সোনারপুর ডাক ঘরের ব্যাঙ্কিং পরিষেবা। প্রায় ২৩ হাজার গ্রাহক দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন বলে অভিযোগ। প্রায় দিনই ডাকঘরে এসে তাঁরা বিক্ষোভও দেখাচ্ছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না বলে অভিযোগ। গত দু সপ্তাহ হল সাব ডাকঘরের রাউডার মেশিন খারাপ। ফলে কম্পিউটারে 'লিঙ্ক' মিলছে না। যার ফলে গ্রাহকদের ব্যাঙ্কিং পরিষেবা দেওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। অবসর গ্রহনের পর পেনশানের টাকা নিতে এসে মাসের প্রথমেই ফিরে যেতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এছাড়া দিনের দিন টাকা তুলতেও প্রায় ৫০০ জন গ্রাহক আসেন। তাঁরাও টাকা পাচ্ছেন না। ফলে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে তাঁদেরকে। বৃহস্পতিবার এমনই এক গ্রাহক তিমির রঞ্জন ত্রিপাঠী জানান, গত ১৮ জুলাই থেকে ডাকঘরের ব্যাঙ্কিং লেনদেনের 'লিঙ্ক' নেই। ফলে প্রতিদিনই ডাকঘরে টাকা তুলতে গিয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে। বার বার বলা সত্বেও কোন হেলদোল নেই ডাকঘর কর্তৃপক্ষের। এভাবে আর কতদিন চলবে তা বুঝতে পারছি না। একটা কিছু সুরাহা হওয়ার দরকার। সোনারপুর সাব ডাকঘরের গ্রাহক সুপর্ণা মণ্ডল নিজের অবসরকালিণ ভাতা তুলতে বারুইপুরের মূখ্য ডাকঘরে গেছেন। সেখানে দাঁড়িয়েই বললেন। টাকা তুলতে না পারলে সংসার চলবে না। তাই বাধ্য হয়ে বারুইপুরে এসেছি। ৩ মাসে ৩ বার রাউডার পুড়ে গেছে। প্রতিবারই গ্রাহকদের সমস্যায় পড়তে হয়েছে। এবার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে। বারুইপুরের মূখ্য ডাকঘরের সুপার জানান, বিষয়টা শুনেছি। শীঘ্র গ্রাহকদের সমস্যার সমাধান হবে। সোনারপুর উপ ডাকঘরের প্রধান অরুপ মণ্ডল জানান, রাউডার খারপের জন্য ব্যাঙ্কিং লেনদেন বন্ধ রয়েছে। আশা করছি সামনের সপ্তাহের প্রথমেই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হবে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারুইপুর :'লিঙ্ক' নেই,দীর্ঘ দু’সপ্তাহের বেশী দিন ধরে যার ফলে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা থেকে বঞ্চিত ডাকঘর গ্রাহকরা। সোনারপুর উপ ডাকঘরের ঘটনা। এই ঘটনায় ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছে গ্রাহকদের। তাঁদের বারুইপুর মূখ্য ডাকঘরে যেতে হচ্ছে লেনদেন করতে। ভেঙে পড়েছে সোনারপুর ডাক ঘরের ব্যাঙ্কিং পরিষেবা। প্রায় ২৩ হাজার গ্রাহক দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন বলে অভিযোগ। প্রায় দিনই ডাকঘরে এসে তাঁরা বিক্ষোভও দেখাচ্ছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না বলে অভিযোগ। গত দু সপ্তাহ হল সাব ডাকঘরের রাউডার মেশিন খারাপ। ফলে কম্পিউটারে 'লিঙ্ক' মিলছে না। যার ফলে গ্রাহকদের ব্যাঙ্কিং পরিষেবা দেওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। অবসর গ্রহনের পর পেনশানের টাকা নিতে এসে মাসের প্রথমেই ফিরে যেতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এছাড়া দিনের দিন টাকা তুলতেও প্রায় ৫০০ জন গ্রাহক আসেন। তাঁরাও টাকা পাচ্ছেন না। ফলে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে তাঁদেরকে। বৃহস্পতিবার এমনই এক গ্রাহক তিমির রঞ্জন ত্রিপাঠী জানান, গত ১৮ জুলাই থেকে ডাকঘরের ব্যাঙ্কিং লেনদেনের 'লিঙ্ক' নেই। ফলে প্রতিদিনই ডাকঘরে টাকা তুলতে গিয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে। বার বার বলা সত্বেও কোন হেলদোল নেই ডাকঘর কর্তৃপক্ষের। এভাবে আর কতদিন চলবে তা বুঝতে পারছি না। একটা কিছু সুরাহা হওয়ার দরকার। সোনারপুর সাব ডাকঘরের গ্রাহক সুপর্ণা মণ্ডল নিজের অবসরকালিণ ভাতা তুলতে বারুইপুরের মূখ্য ডাকঘরে গেছেন। সেখানে দাঁড়িয়েই বললেন। টাকা তুলতে না পারলে সংসার চলবে না। তাই বাধ্য হয়ে বারুইপুরে এসেছি। ৩ মাসে ৩ বার রাউডার পুড়ে গেছে। প্রতিবারই গ্রাহকদের সমস্যায় পড়তে হয়েছে। এবার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে। বারুইপুরের মূখ্য ডাকঘরের সুপার জানান, বিষয়টা শুনেছি। শীঘ্র গ্রাহকদের সমস্যার সমাধান হবে। সোনারপুর উপ ডাকঘরের প্রধান অরুপ মণ্ডল জানান, রাউডার খারপের জন্য ব্যাঙ্কিং লেনদেন বন্ধ রয়েছে। আশা করছি সামনের সপ্তাহের প্রথমেই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হবে।

No comments:
Post a Comment