পুরো শরীরজুড়েই বিদ্যুৎ! - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 23 August 2018

পুরো শরীরজুড়েই বিদ্যুৎ!

পুরো শরীরজুড়েই বিদ্যুৎ!
শরীরে বিদ্যুৎ বয়ে বেড়াচ্ছেন ভারতের হাওড়ার বেলুড়ের বাসিন্দা গৃহবধূ আশা চৌধুরী (৩৩)।
আশা চৌধুরীর পুরো শরীরজুড়েই বিদ্যুৎ। কেউ যদি তাকে ছুঁতে যায় তাহলে খেতে হয় ইলেকট্রিক শক। ইতোমধ্যে শক খেয়ে আতঙ্কে দূরে থাকছেন পরিজনেরা।
আশা চৌধুরীকে স্পর্শ করলেই ইলেকট্রিক শক খাওয়ার এমন অদ্ভুতুড়ে কান্ডে আশা চৌধুরীতো বটেই গোটা চৌধুরী পরিবারই এখন বিব্রত। বেজায় আতঙ্কে তারা। আশাদেবীর শরীরে বিদ্যুৎ রয়েছে কি না, তা দেখতে গায়ে ‘টেস্টার’ (বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে কি না, তা বোঝার যন্ত্র) ছুঁইয়ে চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষাও।
নিজের এই সমস্যা নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন আশা চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘কী হয়েছে, কিছুই বুঝতে পারছি না। ভয়ে ছেলে-মেয়ে কেউ সামনেই আসছে না।’ তার তিন বছরের মেয়ে শ্রেয়া তাঁর গায়ে হাত দিতেই বিদ্যুতের শক খাওয়ার মতো কেঁপে ওঠেন তিনি। ঝটকা লাগে শ্রেয়ারও। ছেলে অয়ন এসে হাত ধরতেই ফের দু’জনেরই ঝটকা লাগে।
বেজায় ভয় পেয়ে স্বামী সুনীল চৌধুরীকে ফোন করেন আশাদেবী। তড়িঘড়ি বাড়ি চলে আসেন তার স্বামী। দুপুরে খাওয়া শেষে স্টিলের থালা আশাদেবীর হাতে দিতেই ফের দু’জনেরই ঝটকা লাগে।
সুনীল বলেন, ‘থালাটা হাতে দিতেই আমার স্ত্রী শক খাওয়ার মতো কেঁপে উঠল। আমারও একই রকম ভাবে শক্ লাগলো।’ ফের রাতে ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে স্টিলের রেলিংয়ে হাত দিতেই একই সমস্যা। এসব ঘটনা শুক্রবারের।
শনিবার সকালেও আলমারির হাতলে হাত দেওয়া মাত্রই সে একই ঘটনা।
অবশেষে চিকিৎসকের শরাণাপন্ন হলেন আশা। চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের ঘটনা খুবই বিরল। ছোট ছোট স্নায়ু কোনও কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে মানব শরীরে এমন বৈদ্যুতিক শক লাগার মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে। যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয়, ‘পিওর সেন্সারি নিউরোপ্যাথি বা স্মল ফাইভার নিউরোপ্যাথি’।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad