বিশ্বের বৃহত্তম বিবাহ বহির্ভূত কেলেঙ্কারি ফাঁস - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 20 August 2018

বিশ্বের বৃহত্তম বিবাহ বহির্ভূত কেলেঙ্কারি ফাঁস




কানাডার রাজধানী অটোয়ার দিকে এখন বিশ্বের কড়া নজর রয়েছে। শীতলতম
এই রাষ্ট্রে এখন গরমাগরম একটাই আলোচনা। পরকীয়ায় জড়িত অভিযোগে কার নাম ফাঁস হতে চলেছে?
ব্যাপারটা কী?
আসলে এই অটোয়ায় প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন ‘অ্যাশলে ম্যাডিসন’ ওয়েবসাইটে নিজের নাম নথিভূক্ত করান। এটি একটি অ্যাডাল্টারি ওয়েবসাইট। এক্সট্রা ম্যারিটেল অ্যাফেয়ার্স বা বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার সুবর্ণ সুযোগ দেয় এই ওয়েবসাইট। আর এই ওয়েবসাইটই এখন হ্যাক হয়েছে। মাথায় হাত সাবস্ক্রাইবারদের। কী হবে এবার? তাদের নাম প্রকাশ্যে চলে এসে সমাজে মুখ দেখাবেন কী করে? পথেঘাটে এখন একটাই আলোচনা।
ওয়েবসাইটে যারা নিজেদের নাম নথিভূক্ত করে পরকীয়ায় জড়িয়েছেন, তারাই সবচেয়ে বেশি চিন্তায়। কারণ, হ্যাকাররা হুমকি দিয়েছে, সমস্ত গোপন তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার। শুধু নাম নয়, পাশাপাশি অন্তরঙ্গ ছবি, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য, বানানো নাম এমনকী নগ্ন ছবিও প্রকাশ্যে এনে ফেলার হুমকি দিয়ে রেখেছে হ্যাকাররা।
অ্যাশলে ম্যাডিসনের ওয়েবসাইটটি পরকীয়ায় জড়ানোর জন্য বিশ্ববিখ্যাত। তাদের স্লোগানই হল- “লাইফ ইজ শর্ট, হ্যাভ অ্যান অ্যাফেয়ার।” বাংলায় তর্জমা করলে যার মানে দাঁড়ায়, জীবন ক্ষণস্থায়ী, তাই প্রেম করুন। এই ওয়েবসাইটটির কানাডিয়ান পার্টনার অ্যাভিড লাইফ মিডিয়া এখন এই বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় হাতড়ে বেড়াচ্ছে।
অটোয়ার জনসংখ্যা এমনিতেই কম। মাত্র ২ লক্ষ। সকলে বলেন, অটোয়া নাকি ‘ঘুমন্ত শহর’। কিন্তু এই ঘুমন্ত শহরেই সবথেকে বেশি মানুষ পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা অ্যালি ক্রস বলছেন, “আজ ডিনার করতে বসে সকলকেই স্বামী বা স্ত্রীর কাছে অনেক জবাবদিহি করতে হতে পারে।”
শুনলে অবাক হবেন, মাত্র দু’লক্ষ মানুষের মধ্যে অ্যাশলে ম্যাডিসনের পরকীয়া প্রেম ও শারীরিক মিলনে জড়িয়ে পড়ার ওয়েবসাইটের গ্রাহক সংখ্যা এক লক্ষ ৯০ হাজার প্রায়।
ওয়েবসাইটটির অন্দরের খবর, ভিতরের কোনও কর্মীই সম্ভবত এই বৃহত্তম সিকিউরিটি ব্রেকের সঙ্গে জড়িত। তবে গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে ওয়েবসাইটটি জানিয়েছে, হ্যাকাররা নিয়মিত ওয়েবসাইট কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে। হ্যাকারদের দাবি খতিয়ে দেখা হবে বলে সাবস্ক্রাইবারদের আশ্বাস দিয়েছে অ্যাশলে ম্যাডিসন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad